ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

উত্তরার কাউন্সিলর মোতালেবের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

উত্তরার কাউন্সিলর মোতালেবের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

কাউন্সিলর মোতালেব মিয়া

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৪ | ১৯:০৫

মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোতালেব মিয়ার বিরুদ্ধে জনস্বার্থে দুদকে অভিযোগ দিয়েছেন একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাশার নামে একজন।

রোববার রাষ্ট্রের স্বার্থে ও জনগণের জাল মালের কাউন্সিলর মোতালেব মিয়ার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান পরিচালনা করে আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের এই আবেদন করা হয়। এর আগে ১ মে সমকালের শেষ পাতায় ‘পাউবোর আগে মাছের আড়ত কাউন্সিলরের’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোতালেব মিয়া রাজধানীর আব্দুল্লাহপুরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর জায়গা দখল করে মাছের আড়ত গড়ে তুলেছেন। মার্কেটে ছয়- সাত হাত আয়তনের ২৮০টি বিট (জায়গা) আছে। প্রতিটি বিট ভাড়া নিতে জামানত দিতে হয় তিন লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা, আর এককালীন ৫০ হাজার। এ ছাড়া প্রতিদিন প্রতিটি বিট থেকে ৪২০ টাকা ভাড়া তোলা হয়। এই হিসাবে ২৮০টি বিট থেকে দৈনিক ভাড়া ওঠে ১ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা। জামানত ও ভাড়ার টাকা নেন কাউন্সিলর মোতালেব মিয়া।

আবদুল্লাহপুর বেড়িবাঁধে এই মাছের আড়তের পশ্চিম পাশে গড়ে তুলেছেন ফল, রেস্টুরেন্ট ও কাঁচামালের শতাধিক দোকান। প্রতিদিন প্রতিটি দোকান থেকে ৪০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলে। এগুলোর মৌখিক লাইসেন্স দেন কাউন্সিলর মোতালেব মিয়া প্রতিদিন অটোরিকশা প্রতি ১৫০ টাকা আদায় করেন। আর মিনি অটো থেকে সপ্তাহে ৬৪০ টাকা করে চাঁদা তোলেন। উত্তরার চুল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসে ৩ লাখ টাকা নেন মোতালেব মিয়া। ৪৭নং ওয়ার্ডে ময়লা বাণিজ্য করে তিনি প্রতিমাসে হাতিয়ে নেন ২ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন

×