বিভিন্ন ঘাটতির কারণেই মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে বলেই মশার উপদ্রব বেড়েছে। আমাদের মনিটরিংয়ের যথেষ্ট ঘাটতি আছে। আমাদের এখনো সনাতনী পদ্ধতিতে এই মনিটরিং হচ্ছে। আমাদের কাউন্সিলর যারা আছে তাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে। সনাতনী পদ্ধতিতে মনিটরিং করলে এটি চলবে না। সিটি করপোরেশনের মশক কর্মী, মশক সুপারভাইজার, যারা দেখাশোনা করে তাদেরও ঘাটতি আছে।

শনিবার রাজধানীর ভাটারা ও সাতারকুল এলাকায় সমন্বিত মশক নিধন অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা বুঝতে পেরেছি মশক নিধন অভিযানটিকে আধুনিকায়ন করতে হবে। জনসাধারণকে সচেতন করতে হবে। কারণ জনগণেরও সচেতনতার অনেক ঘাটতি আছে। এছাড়া আমরা কীটতত্ত্ববিদদের সঙ্গে আলোচনা করছি নতুনভাবে ওষুধ প্রয়োগ করার। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশার অভিযান চালানো হবে।

মেয়র বলেন, কাউন্সিলরদের দায়িত্ব নিতে হবে। কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা কাউন্সিলররা নিজেরা মনিটরিং করবে। কাউন্সিলরদের তালিকা করতে হবে কোথায় কোথায় ডোবা আছে। আমি একটি জিনিস দেখে অবাক হয়েছি যে, কাউন্সিলরের কার্যালয়ের পেছনেই ডোবা। কাউন্সিলরদের বলব, নিজ নিজ এলাকা ম্যাপিং করার জন্য। ডোবার বিরুদ্ধেও অভিযান হবে।

এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ূয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন