চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন উদ্ধার মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকসহ আরও তিনজনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। 

বুধবার চট্টগ্রাম চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঞার আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। আগামী ২৫ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। অন্যদিকে মামলার অন্যতম আসামি মো. গোলাম মোস্তফা সোহেল জামিন আবেদন করলে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, কোকেন উদ্ধার মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তৎকালীন উপপরিচালক আলী আসলাম হোসেন, কসকো বাংলাদেশ লিমিটেডের অফিসার জামাল উদ্দিন ও মো. জাহাঙ্গীর সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা তিনজনই জব্দ তালিকার সাক্ষী। এ নিয়ে মোট ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হলো।

এ সময় পিপিকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকট জাফর, অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ শাকিল ও অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দীন।

২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল এ মামলায় ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ১৯ মে প্রথম দফায় চারজন আদালতে সাক্ষ্য দেন। ২০১৫ সালের ৬ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে সূর্যমুখী তেলের চালান জব্দ করে শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ২৭ জুন তেলের চালানের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়।

অভিযুক্ত ১০ আসামি হলেন- কোকেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ, কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক একেএম আজাদ, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল, প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, লন্ডনপ্রবাসী ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া।