বাগেরহাটের মোংলায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার ফুফাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোনের ৯০ ব্যারাকের পাকখালী আবাসন প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার রাতে  অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মো. নাসির হাওলাদার (৫২)। তিনি  চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোন পাকখালি আবাসন প্রকল্পের মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির বাবা ৪ বছর আগে মারা যান। তার মা অভাবের তাড়নায় সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। ভুক্তভোগীর মা আর কোন নিকট আত্মীয়স্বজন না থাকায় ওই কিশোরীসহ তার আরেক বোনকে ফুফা মো. নাসির হাওলাদারের কাছে রেখে যান। তাদের খরচ বাবদ সৌদি থেকে মাসিক টাকাও পাঠাতেন ওই কিশোরীর মা। মেয়েটি অভিযুক্ত নাসির হাওলাদারের  বাসায় আসার পর থেকেই অভিযুক্ত বিভিন্ন সময় কিশোরীকে নানা রকম কু-প্রস্তাব দিতেন।  গত রোববার রাত আনুমানিক রাত ৮টার দিকে অসুস্থ বোধ করায়  ওই কিশোরী চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোন ৯০ ব্যারাকের পাকখালি আবাসন প্রকল্পে অভিযুক্ত মো. নাসির হাওলাদারের চায়ের দোকানের ভিতরে থাকা শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে।  দোকানে কেউ না থাকায় রাত  ৯টার দিকে অভিযুক্ত মো. নাসির হাওলাদার ওই ঘরে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ কনরে।  এ সময় ওই কিশোরী চিৎকার করলে নাসির তাকে ভয় ভীতি দেখান ও তার মুখ চেপে ধরেন। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্যও মেয়েটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন অভিযুক্ত। পরে ধর্ষণের শিকার কিশোরী ঘটনাটি ওই আবাসনের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার খাঁ কে জানায়।

মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র ঘোষ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ সোমবার রাতে অভিযুক্ত নাসির হাওলাদারকে আটক করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার নাসির হাওলাদারকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।