স্কুলে পড়ার সময় পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের উদাহরণ দিতে স্যার শিরোনামের বাক্যটি ব্যবহার করতেন। অতীতকালে দুটো ক্রিয়া পদ থাকলে পূর্বে ঘটিত কাজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স। এখানে রোগী মারা যাওয়াটা প্রথমে ঘটায় ইহা পাস্ট পারফেক্ট এবং ডাক্তার আসাটা পাস্ট ইন্ডিফিনিট। কথাটা সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে বিগত ১৬ মার্চ হিন্দু সম্প্র্রদায়ের ওপর হেফাজতে ইসলামের অনুসারীদের হামলা, লুটপাটের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হলো। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, এই নৃশংস ঘটনার আগের রাতেই বিপদের আশঙ্কা করে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সাহায্য চেয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছিল।

ঘটনার দিন সকালে কাশিপুর গ্রামের মসজিদে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে যখন হাজার হাজার গ্রামবাসী অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলার জন্য জমায়েত হয়, তখনও গ্রামবাসী হামলা থেকে তাদের রক্ষার জন্য মোবাইল ফোনে পুলিশকে জানায়। তা ছাড়া সোমবার দিরাই উপজেলা সদরে হেফাজতের সভায় মামুনুল হকের সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক বক্ত্যব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাকে কটূক্তি করে ঝুমন দাশের ফেসবুক স্ট্যাটাসের পর থেকেই দিরাই-শাল্লায় হেফাজত অনুসারীদের বিক্ষোভ চলছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এত উত্তেজনা এবং হামলার পূর্বাহেপ্ত বিভিন্ন সূত্রে অবহিত হওয়ার পরও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল, নারীদের সম্ভ্রম এবং মন্দির ও মূর্তি ভাঙা প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়াকে বিস্ময়কর মনে হয়। ঘটনাস্থলে যথাসময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করলে অতি সহজেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা ঠেকানো যেত।

এ অবস্থায় হামলাকারীরা অসহায় সংখ্যালঘুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং নির্বিবাদে তাণ্ডব চালিয়ে যায়। তাণ্ডবলীলা নির্বিঘ্নে শেষ হওয়ার পর বিধ্বস্ত ভূমিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনী এগিয়ে আসে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, হেফাজতের বিক্ষুব্ধ অনুসারীরা কটূক্তির প্রতিক্রিয়ায় কোনো রকম সহিংস পন্থা অবলম্বন করবে না বলে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় আশ্বস্ত করায় হামালা প্রতিরোধে কোনো সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি মর্মে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়।

এখন জনমনে প্রশ্ন- এক ঝুমন দাশের কটূক্তির কারণে তার গ্রামের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হবে কেন? গ্রামবাসী কী অপরাধ করেছিল? ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলনে ঝুমনের মায়েরও একই জিজ্ঞাসা- তার ছেলে দোষ করে থাকলে গ্রামবাসীর ওপর নির্যাতন হবে কেন? জানা যায়, মামুনুলের সাম্প্রদায়িক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ঝুমনের এই স্ট্যাটাস। এ পরিপ্রেক্ষিতে স্ট্যাটাসের উৎসও তদন্তের বাইরে থাকে না। অধিকন্তু হামলার আগের রাতেই অভিযুক্ত ঝুমন ওরফে আপনকে নোয়াগাঁওবাসী পুলিশে সোপর্দ করে। অতএব, আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তিতে কোনো বাধা ছিল না। এর পরও আইনের তোয়াক্কা না করে যখন বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল তখন হেফাজতিদের আশ্বাসে আশ্বস্ত না থেকে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে আগে থেকেই প্রশাসনের পক্ষে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করাই ছিল সঙ্গত। তা ছাড়া হামলার আগে প্রশাসনের সাহায্য চেয়ে বারবার পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও হামলা প্রতিরোধে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন না করার বিষয়টি রহস্যের সৃষ্টি করে।

শাল্লার সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ক্ষমতাসীন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিসহ স্থানীয় নেতারা অবহিত ছিলেন এবং বিক্ষোভকারীদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছিলেন মর্মে জানা যায়। কিন্তু সব আলাপ-আলোচনা ভেস্তে দিয়ে ঘটনার দিন সকালে কাশিপুর গ্রামের মসজিদে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আশপাশের ৪/৫টি গ্রাম থেকে সহস্রাধিক সশস্ত্র লোক যখন হিন্দু গ্রামে হামলার জন্য জমায়েত হলো, তখন এদের নিবৃত্ত করতে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতারা কী ভূমিকা নিয়েছিল, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, শাল্লা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির নিজ গ্রাম কাশিপুর। প্রথম আলোর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধির রিপোর্টে দেখা যায়, মাইকে ধর্ম অবমাননার বক্তব্য ছড়ানোয় এত লোকের জমায়েত হয়েছিল; মামুনুলের কটূক্তির জন্য হয়তো এত লোকের সমাবেশ হতো না।

এ পরিপ্রেক্ষিতে রামু, নাসিরনগর ইত্যাদি এলাকায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রসঙ্গ আসে। এসব ঘটনায় একই ধরনের বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান। তাণ্ডব ঘটে যাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতা লক্ষণীয়। অতঃপর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে দুর্গতদের শান্তির ললিত বাণী শোনান। ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের খণ্ড-বিখণ্ড মূর্তির পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, কোনো অবস্থায়ই সাম্প্র্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। অপরাধী যে দলেরই হোক তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে; কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রাখা হবে মর্মে সংকল্প ব্যক্ত করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, 'নাগিনীরা চারিদিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস, শান্তির ললিত বাণী শোনাইবে ব্যর্থ পরিহাস।' তাণ্ডবের ফলে সংখ্যালঘুদের মনে যে নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হলো, তা কি কোনো আপ্তবাক্যে দূর হবে? এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে এ কথা মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয়- যে কোনো অজুহাতে সবল পক্ষ দুর্বলের ওপর নির্বিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

ঘটনা যা ঘটার, তা তো ঘটেই গেল। এর পর টিভির পর্দায় দেখা যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে কিছু চাল-ডাল-লবণ, ঢেউটিন, টাকা ইত্যাদি বিতরণ করে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে কর্তাব্যক্তিরা এলাকা ত্যাগ করেন। শাল্লার ঘটনা পূর্ববর্তী দৃশ্যপটের ব্যতিক্রম নয়। এখানেও হামলাউত্তর ঘটনাপরম্পরা একই ধরনের। নোয়াগাঁও গ্রামের সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে হামলার ঘটনায় মূল আসামি স্বাধীন মেম্বারসহ ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালত আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু রামু ও নাসিরনগরের ঘটনার যে বর্তমান অবস্থা, তাতে শাল্লার ঘটনায় দুস্কৃতকারীদের শাস্তি বিষয়ে আশাবাদী হওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে যায়। কারণ রামুতে ১২টি এবং উখিয়া ও টেকনাফে ৭টি ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধবিহার ধ্বংস এবং বৌদ্ধপল্লীতে অগ্নিসংযোগ, নারি-শিশু নির্যাতনের পর ১৮টি মামলা হয়। কিন্তু ধৃত আসামিরা কেউই সম্ভবত এখন আর কারাগারে নেই। অনুরূপ নাসিরনগরে ১০টি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর এবং শতাধিক হিন্দু বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং নারি-শিশু নির্যাতন করা হয়। এ হামলায় ২২৮ জন আসামি এখনও জামিনমুক্ত অবস্থায় দিন গুজরান করছে বলে জানা যায়।

নোয়াগাঁওয়ে হামলার ঘটনাটি রাজনীতির মাঠে এখন বাহাসের নতুন রসদ জুগিয়েছে। ঘটনার পরপরই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায়ের নেতৃত্বে একটি দল উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে আওয়ামী লীগের আমলে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেন। অপরদিকে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, শাল্লায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশবিশেষ। বিএনপিকে তিনি অ্যান্টি ন্যাশনাল রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। এদিকে পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফেসবুক পোস্টদাতা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পোস্টদাতা কোন দলের, সেটা মুখ্য বিষয় নয়। তাকে ঘটনার আগেই পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার রাজনৈতিক পরিচয় এখন অপ্রাসঙ্গিক বিবেচনায় একজন অভিযুক্ত হিসেবেই আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

দেশের এই সুবর্ণ সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে নস্যাৎ করতে অবিরাম চক্রান্ত করে চলছে। মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের আগেই তারা বন্ধুরাষ্ট্রের অতিথিদের সামনে দেশকে হেয় প্রতিপন্ন করতে জাতীয় উৎসবকে বানচাল করার হুঙ্কার দিয়ে আসছিল এবং এখনও তাদের অপতৎপরতা অব্যাহত। এই স্পর্শকাতর সময়ে যখন আমাদের সবদিকে সতর্ক থাকার কথা, তখন সচেতন মহলে স্বাভাবিকভাবে কিছু প্রশ্ন জাগে। যেমন স্থানীয় প্রশাসন ১৫ মার্চ এই উগ্র সাম্প্র্রদায়িক দলকে সভার অনুমতি না দিলে কি হতো না? সভাপরবর্তী সময়ে ঝুমনের পোস্টকে কেন্দ্র করে হেফাজতিদের বিক্ষোভের ফলে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? ঝুমনকে পুলিশে হস্তান্তরের পর স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি তথা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য প্রগতিমনা দল সাম্প্র্রদায়িক চক্রের অপতৎপরতা বন্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? প্রগতিশীল দলগুলো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অপশক্তির ষড়যন্ত্র রুখতে স্থানীয়ভাবে কি কোনো প্রতিবাদ মিছিল করেছিল?

সংখ্যালঘুদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা প্রতিরোধে শাল্লার সাংসদের ভূমিকা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। কারণ এই নির্বাচনী এলাকা পাকিস্তান আমল থেকেই প্রগতিমনা দলগুলোর ভোটব্যাংক। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি দাসের নেতৃত্বে পুরো ভাটি বাংলা অপ্রতিরোধ্য দুর্গে পরিণত হয়েছিল এবং অনেকাংশে হানাদারমুক্ত ছিল। অকুতোভয় যোদ্ধা জগৎজ্যোতি বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি সেনাকে খতম করে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেন। ভাবলে অবাক লাগে, যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা অম্লান রাখতে জগৎজ্যোতির মতো লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা আত্মাহুতি দিল; আজ সেই শাল্লা থানায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী চলাকালে হেফাজতে ইসলামের মতো এক উগ্র স্বাধীনতাবিরোধী দল প্রশাসন ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির নাকের ডগায় নোয়াগাঁও গ্রামে কীভাবে হিন্দু সম্প্র্রদায়ের ওপর অবাধে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে গেল! মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অসাম্প্র্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্টম্ন কি বারবারই অপশক্তি দ্বারা মরীচিকায় পরিণত হবে? দিরাইয়ের সন্তান উপমহাদেশের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহ আবদুল করিমের 'আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম' গানের অমর বাণী কি আমাদের অন্তর থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে? ডাক্তার কি কোনো সময়েই রোগীকে স্বস্তিতে বেঁচে থাকতে মুমূর্ষু হওয়ার আগে এগিয়ে আসবে না?

দেশ এখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে। পাশাপাশি আমরা গর্বের সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়ে সারাবিশ্বে নজির স্থাপন করেছে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জননেত্রী শেখ হাসিনা কোনো অপশক্তি যাতে দেশের এগিয়ে চলাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ভেদাভেদ ভুলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতার স্বপ্ন অসাম্প্র্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুতনয়া শেখ হাসিনা ও তার সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে যেতে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায় থেকে সর্বস্তরে অসাম্প্র্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সদা জাগ্রত ও সক্রিয় থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্টম্ন বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে প্রশাসনকে অধিকতর সজাগ ও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।



মন্তব্য করুন