রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এসএসসি ফলপ্রত্যাশী মাইনুদ্দিন ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও সড়ক আটকে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা গাড়ির চালকের লাইসেন্স ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের কাগজ যাচাই-বাছাইয়ের সময় রাস্তায় বিআরটিসির একটি বাস ফেলে পালিয়ে গেছেন চালক ও তার হেলপার।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘আন্দোলের কারণে কোনো রোগী ও পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য জরুরি লেন করে কিছু গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছি।’

দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা দেখছি, অনেক গাড়ির চালক লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছেন। এসব চালকের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।’ 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীর সড়ক অবরোধ করার কারণে এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আবুল হোটেল থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে নিহত হন মাইনুদ্দিন। তিনি এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইনুদ্দিনের বাবা রামপুরায় একটি চায়ের দোকান চালান। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে দুর্জয় সবার ছোট। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।