মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের যে কোনো বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পরিচয় পত্র দেওয়া হবে। সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা করেছে। আমরা চাই, বীর মুক্তিযোদ্ধারা যেন একটা সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারেন। তারা দেশটা স্বাধীন করেছেন বলেই আজ এ দেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক বলেন, সব অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের  ঘর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ হাজার ২শ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ ছাড়া যত মানুষ গৃহহীন আছে প্রত্যেককে বাড়ি-ঘর দেওয়া হবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা রাণী ধরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।

টুঙ্গিপাড়া আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রশিদ তারিকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন— পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, পুলিশ সুপার মো. সাইদুর রহমান, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান এনায়েত করিম, উপজেলা আ.লীগ সভাপতি ফায়জুর রশিদ খসরু, উপজেলা জেপি’র যুগ্ম আহবায়ক গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এহসাম হাওলাদার প্রমুখ। 

এর আগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স  ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।