ইউনেস্কোর মতে, এ শতাব্দীতে অর্ধেকের বেশি ভাষা বেঁচে থাকবে না। প্রতি ১৪ দিনে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একটি করে ভাষা। গেল শতাব্দীতে গণহত্যার ফলে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাদের ভাষাও ক্রমান্বয়ে হারিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে নির্দিষ্ট ভাষাভাষী জনসংখ্যার অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ায় ভাষাও বিলুপ্ত হয়েছে। এ জন্য ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন শুরু হলে বিশ্বব্যাপী মানব প্রজাতির ভাষাগুলোর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।

'নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা' মধ্যযুগের কবির এই বাক্য অনন্য হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে। আমাদের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হলেও এ দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং কয়েক লাখ শরণার্থীর ভাষা বাংলা নয়। ফলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয়ে উঠেছে দেশে প্রচলিত ভাষাগুলোর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা। কারণ বাঙালি জাতির যেমন নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে, তেমনি ওই ভিন্ন ভাষীদেরও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আছে। আর তা বিকাশের সুযোগ করে দিতে হলে তাদের নিজস্ব ভাষা বাঁচিয়ে রাখা জরুরি।

৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই দেশে বাঙালির পাশাপাশি পাহাড় ও সমতল মিলে বসবাস করে আরও অন্তত ৪৫টি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, যাদের মাতৃভাষা বাংলা নয়। এদের মধ্যে- চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, রাখাইন, গারো, হাজং, খাসিয়া, মণিপুরি, সাঁওতাল, ওঁরাও, মুণ্ডা প্রভৃতি প্রধান। এদের প্রত্যেকের রয়েছে নিজস্ব মাতৃভাষা ও বিশেষ বৈশিষ্টমণ্ডিত নিজস্ব সংস্কৃতি। এসব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষাগুলো যথাযথ মর্যাদা পেতে শুরু করে শেখ হাসিনার আমলে।

কারণ পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২০১৭ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিজ নিজ মাতৃভাষার বই পুস্তকে লিপিবদ্ধ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই হিসেবে বিতরণ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে বছরের শুরুতে বান্দরবানের সাতটি উপজেলায় পাঠ্যবই বিতরণের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের নিজ মাতৃভাষার বই ও বিতরণ করা হয়।

পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি নিজ মাতৃভাষার বর্ণমালা চিনতে ও জানতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ মাতৃভাষার বইও পড়ানো হচ্ছে। ২০২২ সালে বান্দরবনের সাতটি উপজেলায় ২৩ হাজার ২৬৮টি মারমা মাতৃভাষার বই, ৭ হাজার ৯৫টি ত্রিপুরা মাতৃভাষার বই এবং ২ হাজার ২৬৬টি চাকমা ভাষার বই বিতরণ করা হয়েছে। আর শিক্ষার্থীদের নিজ মাতৃভাষার বর্ণমালা শেখাতে সপ্তাহে একদিন পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে নিজ মাতৃভাষার এসব বই পড়ানো হয় বলে জানান শিক্ষকরা।

অন্যদিকে ২০১৯ সালে চাকমা, মারমা, সাদ্রি, গারো ও ত্রিপুরা- এই পাঁচ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৯৮ হাজার ১৪৪ জন শিশুর জন্য নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালার প্রাক-প্রাথমিক এবং ১ম ও ২য় শ্রেণির মোট ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৮টি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য সংশ্নিষ্ট ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্তিসহ নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে জীবন দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের শিক্ষার হার বৃদ্ধির জন্য ১৯৯৬ সালে কর্মসূচির শুরু থেকে প্রতি অর্থবছরে সংশ্নিষ্ট উপজেলায় বসবাসরত ছাত্রছাত্রীদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

এ ছাড়া উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করার জন্য সমতলের ৫৫টি জেলায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে 'বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)' শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় পৃথক শিক্ষা বৃত্তি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৩০ লাখ ৮৭ হাজার। যার মধ্যে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার পার্বত্য চট্টগ্রামে এবং ১৫ লাখ সমতলে বসবাসরত। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা মোট জনগোষ্ঠীর মাত্র ১.০৪ শতাংশ হলেও তারা সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের অধিকারী এবং মূল জনগোষ্ঠীর অপরিহার্য অংশ। বৈচিত্র্যের মাঝেই ঐক্য-বাংলাদেশের সংস্কৃতির এক উজ্জ্বলতম বৈশিষ্ট্য। এই যে নানা মানুষ, নানান ধর্ম, ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস- সবকিছু মিলে যে বৈচিত্র্য এটা কম দেশেই পরিলক্ষিত হয়। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর থেকে পার্বত্য এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগণের জন্যও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখোয়া, চাক, খিয়াং, খুমি, লুসাই সম্প্রদায়ের ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হওয়ার পর পার্বত্য জেলায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক অধিকার এবং আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

২০০৯ সাল থেকে এ কর্মসূচির আওতায় সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবনমানের স্থায়ী উন্নয়নের জন্য ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫০০টি বৃহৎ আকারের আয়বর্ধনমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণের জন্য ৩১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, নওগাঁ এবং দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি স্থাপন করা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের এসব কর্মকাণ্ড ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণের অন্যতম স্তম্ভ।

এখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের লেখাপড়া শিখতে হয় নিজের মাতৃভাষায়। সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ও ইংরেজি ভাষা তারা শিখে থাকে। এই শিশুরা যখন নতুন ভর্তি হয় তখন তারা যে ভাষা-অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে, তা তাদের পরিবার ও সমাজের প্রচলিত ভাষা, যা তার পাঠ্যবইয়ের ভাষা বা পাঠদান মাধ্যম হিসেবে প্রচলিত এখন। ফলে শিশুরা পাঠের বিষয়বস্তুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে এবং জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হয়। ভাষা সমস্যা না থাকায় উপজাতি শিশুদের লেখাপড়া এবং স্কুলে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভাবের আদান-প্রদানও সম্ভব হচ্ছে। ভাষা বেঁচে থাকে চর্চার মধ্য দিয়ে- এ জন্যই সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষাকে গুরুত্ব প্রদান করেছে। তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশ যেন দ্রুত ঘটে- এ জন্য পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার নিরন্তর প্রচেষ্টাও রয়েছে।

'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' জাতি-উপজাতিসহ সবার 'মাতৃভাষার সমান অধিকার' প্রতিষ্ঠার কথা বলে- এ জন্য শেখ হাসিনা সরকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং পাহাড়ি ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানা প্রকল্প বাস্তবায়নে মনোযোগী হয়েছে। উল্লেখ্য, বিভিন্ন দেশের বিলুপ্তপ্রায় ভাষা সংরক্ষণ, লালন ও সম্প্রসারণেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কাজ করছে। বিশ্বে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটসহ ৯৫টি। এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আছে চারটি। জাতীয় শহীদ দিবস ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে ওঠে।

২০০১ সালের ১৫ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ওই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি আনান উপস্থিত ছিলেন। ২০১৫ সালে এটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে জাতিসংঘের ইউনেস্কোর সহযোগী প্রতিষ্ঠানে উন্নীত হয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পাচ্ছে। ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে চলমান ইউনেস্কোর ৩৮তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটকে জাতিসংঘের ক্যাটাগরি-২ ইনস্টিটিউটে উন্নীত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। এ অধিবেশনে জাতিসংঘের ১৯৫টি দেশ ও ৮টি সহযোগী দেশের শিক্ষামন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ভাষার পাশাপাশি বাংলা উপভাষা সংগ্রহ ও সংরক্ষণে কাজ চলছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে। ইউনেস্কো পরিচালিত 'মাতৃভাষা-আশ্রয়ী শিক্ষা', 'টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা' প্রভৃতি কার্যক্রমে এটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। ইউনেস্কোর সঙ্গে এটি পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময় ছাড়াও দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুযোগ পাচ্ছে।

ইউনেস্কোর তথ্যমতে, বিশ্বে সাত হাজারের বেশি জীবিত ভাষা আছে। এর মধ্যে চার হাজারের মতো ভাষাই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর। আর ২ হাজার ভাষায় কথা বলা লোকের সংখ্যা ১ হাজারের কম। এ ছাড়া মোট ভাষার মাত্র অর্ধেকের আছে লিখিত রূপ। বেশিরভাগ ভাষা আজ হুমকির সম্মুখীন। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ যেন তাদের নিজের ভাষায় পড়তে ও লিখতে পারে সে জন্য ২০১০ সালে নতুন করে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে শেখ হাসিনা সরকার। ফলে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণে মনোযোগী হয় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর ২৩ নম্বর ধারাটিতে বলা আছে, 'দেশের আদিবাসীসহ সকল ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও ভাষার বিকাশ ঘটানোর কথা' এবং একই শিক্ষানীতির দ্বিতীয় অধ্যায়ে (প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা) 'আদিবাসী শিশু' শিরোনামের ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'আদিবাসী শিশুরা যাতে নিজেদের ভাষা শিখতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের জন্য আদিবাসী শিক্ষক ও পাঠ্যপুস্তকের ব্যবস্থা করা হবে।' শিক্ষানীতির বদৌলতে পাঁচটি ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের কর্মসূচিও চলছে। আর বিভিন্ন ভাষা সম্প্রদায় থেকে শিক্ষক নিয়োগও দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে।

মূলত 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার অধিকারকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। আর এটা কেবল সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের সুপরিকল্পিত ভাষিক-নীতি বাস্তবায়নের কারণে।