জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা ও আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শত প্রতিকূলতায়ও হতোদ্যম হননি কখনো। বাংলার মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বারবার স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন, আবির্ভূত হয়েছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা রূপে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলাদেশকে।

শেখ হাসিনার ৪১তম ঐতিহাসিকতা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেলের পাঠানো সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে শেরে বাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’

তিনি বলেছিলেন ‘আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেল সবাইকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই, বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলুম, অত্যাচার কোনোকিছুই তাকে তার পথ থেকে টলাতে পারেনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। 

জনগণের ভালবাসায় অভিষিক্ত হয়ে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়ে তিনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের কল্যাণে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন। শেখ হাসিনা যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তখন এ দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করেছেন বহুমাত্রিক উদ্যোগ।

দিবসটি উপলক্ষে বিবৃতিতে সাক্ষরদাতারা হলেন- ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল, সহসভাপতি প্রফেসর ডা. বেলায়েত হোসেন খাঁন, এম মনসুর আলী, প্রফেসর ড. সামছুদ্দিন ইলিয়াস, ড. এ কে এম নূরুজ্জামান, মো. আমিনুল বাহার, লায়ন হামিদুল আলম সখা, মো. হারুন উর রশিদ, হাজী মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রবীর কুমার সরকার, বিনয় ভূষন তালুকদার, সালাউদ্দিন সিদ্দিক, ডা. অসিত মজুমদার, ডা. মশিউর রহমান, প্রকৌশলী খান মোহাম্মাদ কায়ছার, সালাউদ্দিন আল আজাদ, মো. আওরঙ্গজেব, কে এম সিদ্দিকুজ্জামান, ড. মোলতা মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, ডা. রিয়াসাত আলম (রাহাত) ও সঞ্জিব কুমার রায়। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস. এম. ওয়াহিদুজ্জামান (মিন্টু), নির্মল বিশ্বাস, লায়ন শোয়েব উদ্দিন সোহেল, শরিফ উদ্দিন ভূঁইয়া, আফসা আহমেদ সানু, ফেরদৌস বিপ্লব ও হারুন আর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিজ হোসেন দীপ, নাঈম ফেরদৌস পলাস, লায়ন মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. আসিফ আবেদীন, আবদুল্লাহ আল আমিন রঞ্জন, মো. আজিবুর রহমান রাজিব, প্রকৌশলী মো. জুয়েল ও কৃষিবিদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা আক্তার লুনা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মশিউর আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনিরুল ইসলাম খান, দফতর সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুর রহমান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রায়হান কবির,  গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কাওসার জাহান রিতা, যুব ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. হাসানুজ্জামান খান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কল্যাণ কিশোর, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইফুজ্জামান মিন্টু,  স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. কামরুল ইসলাম খান (ইমন),  তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম সজীব, আইন বিষয়ক সম্পাদক নীতিশ সরকার, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাফি, গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক রাজীব কিষাণ, নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ পারভীন এলিস, যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জুয়েল হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. মাহুবুর রহমান চৌধুরী, চিকিৎসাসেবা বিষয়ক সম্পাদক  মো. নুরুল আনোয়ার ফারুকী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ নূর ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিন আক্তার, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আওয়াল হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. লিয়ার হোসেন, উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ শোভন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেদওয়ান রাহার প্রামানিক, উপ-দফতর সম্পাদক শেখ ইমরান হোসেন, উপ-তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক শাহ, উপ-মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাজী সাইফুর রহমান, উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. ইফফাত মাহবুব, উপ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ড. তাসলিমা আক্তার,  উপ-চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস রনি, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক প্রদীপ কুমার দত্ত, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শরণ বড়ুয়া, সহ-সম্পাদক ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহিদ, ডা. শেখ শামসুজ্জামান, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলী এনামুল হক, নাহিদ হোসেন, মো. জামিল হোসেন, মো. মেহেবুব হাসান ও এ ডি সুজাউদ্দিন।সদস্য অঞ্জন রায়, শাহজাহান মোহম্মদ আলিউজ্জাম, ডা. বুশরা জাহান,  ডা. আশীষ কুমার অধিকারী, ডা. আসাদ আদনান উপল, ডা. মো. মিজানুর রহমান, মো. ওহিদুর রহমান, আশরাফুল আলম (আশরাফ), ব্যারিস্টার মো. ইসমাইল হোসেন হাওলাদার, মো. শাহীনুল হক, কামরুল হোসেন কল্পন, মো. জাকির হোসেন, পারভিন আক্তার নিলা, মো. সিরাজুল ইসলাম শাওন, মিনারুল ইসলাম মিনার, প্রকৌশলী মো. মহিদুল হাসান (সুজন), প্রকৌশলী সৈয়দ নিয়াজ মোরশেদ, মো. সাকিব মাহাদি আজিজ, এ এম জোরাফ, রাজিব আহম্মেদ সরদার, লাইলা চৌধুরী, রাফি আহমেদ ও মো. সাইফুল ইসলাম।