ঢাকা রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

সাইবার আইনের সাংবিধানিক ব্যবহার

সাইবার আইনের সাংবিধানিক ব্যবহার

প্রতীকী ছবি

এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২১ | ০৯:২৭

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ২২ ধারায় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়া হয় এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে ২৬ ও ৪৫ ধারায় লাইসেন্স বাতিল ও জরিমানার বিধান রাখা হয়। কিন্তু মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগে মানুষ ভিন্ন ধরনের অপরাধ করতে থাকে, যা এই আইনে প্রতিকার দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে প্রতিকার প্রদানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়। প্রযুক্তি ব্যবহারকারীরা ১১ ধাপে সাইবার অপরাধ করছে যেমন- সহিংস উগ্রবাদ, গুজব, রাজনৈতিক অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ, গ্যাং কালচার, পর্নোগ্রাফি, সাইবার বুলিং, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, পাইরেসি, নারীকে ব্ল্যাকমেইলিং। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ সালের ৬৮ ধারা মতে, ঢাকায় একমাত্র সাইবার ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হয়েছে। আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সরাসরি ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারেন অথবা পুলিশের কাছে অভিযোগ দেবেন এবং পুলিশ তদন্তসাপেক্ষে উপযুক্ত আদালতে মামলাটি গ্রহণের জন্য পাঠাবে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(১)-এ বর্ণিত জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে পরিগণিত হবে। অর্থাৎ এই মূলনীতিগুলো সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত এবং লঙ্ঘন করলে অনুচ্ছেদ ৭ক অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ হবে, যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২(প) এ 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'র অর্থ যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদের প্রাণোৎসর্গ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ। ফলে একই অপরাধ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত হলে ২১(১) অনুযায়ী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালানো হলে ১০ বছর কারাদণ্ড, বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। পুনরায় সংঘটন করলে, তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। 

উল্লেখ্য, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিধান সংবিধানের ৪(১) ও (২) অনুচ্ছেদে বর্ণিত ও নিশ্চয়তা প্রদান করা হলেও ৪(৪) অনুচ্ছেদে বলে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পতাকা, সংগীত ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে। এর ফলে এই বিধানাবলি লঙ্ঘনের শাস্তিও সংশ্নিষ্ট আইন দ্বারাও আরোপিত হবে।

আমাদের সংবিধানের ৪ক অনুযায়ী- দেশে-বিদেশে সরকারি-বেসরকারি স্বায়ত্তশাসিত সকল প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি যথাযথ মর্যাদায় প্রদর্শন ও সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক, যা সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ৭ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের কোনো অংশ লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনে সহায়তা ও ষড়যন্ত্র করা রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তাই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বা ছবি অবমাননা অথবা ভাঙচুরের অভিযোগে মানহানির মামলা কোনোভাবেই নয়, বরং ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করতে হবে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা আমলে নেওয়ার আগে এ আইনের ১৯৬ ধারা অনুসারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনপূর্বক অনুমোদন লাগবে। মূলত যে অপরাধ প্রযুক্তির আশীর্বাদে অভিশাপ হয়ে এসেছে এবং এই অপরাধটি প্রতিরোধের জন্য এই আইনের ২৮ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে তা হলো 'হ্যাকিং' অর্থাৎ কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তার তথ্য বা সেই ডিভাইসের বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। দ্বিতীয় বার সংঘটন করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা অনধিক ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

একইভাবে আমাদের সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদের বাক্‌স্বাধীনতার সীমানা অতিক্রম করে যদি মানুষের মর্যাদা ও সম্মান ক্ষুণ্ণ করে তবে তা শুধু শিষ্টাচারবহির্ভূত হবে না, এটি একটি অপরাধ। বর্তমানে একই অপরাধ ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত হলে অন্য কোনো ব্যক্তি নয়, উপযুক্ত কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তি বিদ্যমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৯ ধারার অধীনে মানহানির মামলা করার সুযোগ রয়েছে, যেখানে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারা থেকে কেবল মানহানির সংজ্ঞা গ্রহণ করতে হবে। মানহানিকর কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রমাণিত হলে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড এবং পুনরায় একই অপরাধ করলে তবে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। এছাড়াও ২৫ (১) ধারায়, ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শন বা অপমান করার অভিপ্রায়ে কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করে, তা হলে ওই ব্যক্তি অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। দ্বিতীয় বার সংঘটন করলে, তা অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বাংলাদেশ প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ এবং সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ মতে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হলেও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১২ অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য সব ধরনের সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপব্যবহার এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি নিপীড়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপরন্তু অনুচ্ছেদ ২৮(১) অনুসারে কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না। ফলে নিজ ধর্ম পালন মৌলিক অধিকার, যাতে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব তা নিশ্চিত করা। যদি কেউ প্রযুক্তির মাধ্যমে তা লঙ্ঘন করে তার প্রতিকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রয়েছে। সাইবার অপরাধের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, যা প্রতিরোধে এই আইনের ২৭(১) অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনগণের মধ্যে ভয়ভীতি সঞ্চার করার অভিপ্রায়ে কোনো কম্পিউটার বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বৈদেশিক রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বা জনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কোনো কাজ সাইবার সন্ত্রাস বলে গণ্য হবে এবং অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং পুনরায় অপরাধ করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা অনধিক ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। অপরদিকে সাইবার অপরাধের সবচেয়ে অনিয়ন্ত্রিত দিক হলো গুজব রটানো, যা দাবানলের মতো মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়। তাই এই অপরাধ প্রতিরোধে এ আইনের ৩১(১) ধারা মতে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যা কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে অথবা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় তাহলে ওই ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যদি দ্বিতীয় বার সংঘটন করেন, তা হলে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সিসিএ ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট মতে, সাইবার অপরাধের শিকার নারীরা ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ আক্রান্ত হওয়ার পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেন না। তাই ভুক্তভোগীরা যেন ভয়ভীতিহীনভাবে অভিযোগ জানাতে পারেন সেজন্য 'পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর ওমেন' নামে একটি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু করা হয়েছে। যেখানে অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত এবং পরামর্শ প্রদানসহ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা থাকবেন পুলিশের নারী সদস্যরা। অভিযোগকারী নারী নিজের পরিচয় গোপন রেখেও নিজের ওপর সংঘটিত অপরাধ সম্পর্কে প্রতিকার চাইতে পারবেন। অসুবিধা হচ্ছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা চলাকালে অনেক অভিভাবক বা ভুক্তভোগী নিজে নানা আশঙ্কায়, এমনকি স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সালিশ করায় মামলা আর পরিচালনা করতে আগ্রহী থাকেন না অথবা মামলা প্রত্যাহার করে নেন। তাতে একদিকে যেমন ভুক্তভোগী বিচারবঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে এবং নতুন করে অপরাধ সংঘটনে আরও সক্রিয় হয়।

এ আইনে কিছু ছোট অপরাধ জামিনযোগ্য বলা হলেও গুরুতর ও বেশির ভাগ অপরাধই অজামিনযোগ্য। কিন্তু ৪০ ধারা অনুযায়ী তদন্ত মোট ১০৫ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে, না হলে ট্রাইব্যুনালের অনুমোদনক্রমে যৌক্তিক সময় বাড়ানোর বিধান থাকলেও ট্রাইব্যুনালের অনুমতি না নেওয়ার কারণে অনেক অপরাধী জামিন পেয়ে যাচ্ছেন এবং বের হয়ে ভুক্তভোগীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। আবার বেশির ভাগ মামলা সাধারণ আদালতে দায়ের হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ ৫০ ধারায় বলা আছে, মামলা পরিচালনায় ফৌজদারি কার্যবিধি প্রয়োগ হবে, আর ফৌজদারি কার্যবিধিতে তদন্তের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রুল জারি করা হয়েছে, রুলটি নিষ্পত্তি হলে এই আইনি জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা যায়। ২০২০ সালে দেশে করোনাকালীন ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারণা। একদিকে যেমন অপরাধ বাড়ছে, তেমনি সচেতন নাগরিকদের আইনের আশ্রয়লাভের দৃশ্যমান চিত্র দেখা যাচ্ছে। ২০১৫ সালে সারাদেশে সাইবার অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়েছে ৬৩৮টি, যা ২০১৬ সালে বেড়ে হয় ৯২৩টি। একইভাবে ২০১৭ সালে ১০৫৮টি, ২০১৮ সালে ১১৩৬টি এবং ২০১৯ সালে হয়েছে ১৪৫৬টি মামলা। যদিও দেশে পর্যাপ্ত ফরেনসিক ডিভাইস নেই এবং এ-সংক্রান্ত ল্যাবও তেমন গড়ে ওঠেনি, তবুও সাইবার থানার কাঠামোসহ পুলিশ সদরদপ্তরে ইতোমধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এই সাইবার থানার প্রধান হবেন একজন পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা। প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন পুলিশ কর্মকর্তারা এখানে নিয়োগ পাবেন। পাশাপাশি প্রযুক্তি বিষয়ে তাদের একাধিক প্রশিক্ষণও হবে। কার্যক্রম শুরু হলেই মামলাগুলোর তদন্ত করবে সাইবার থানা এবং চার্জশিট সরাসরি সাইবার ট্রাইব্যুনালেই দাখিল করবেন সংশ্নিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। হয়রানি রোধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তদন্তের আগে মামলা নেওয়া বা কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না, সরাসরি মামলা নেওয়া হবে না। কোনো অভিযোগ এলে পুলিশ প্রথমে তদন্ত করে দেখবে এবং তদন্তসাপেক্ষে মামলা নেওয়া হবে। তাই ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন।



আরও পড়ুন

×