বাঁশখালীতে খনন কাজ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৩

প্রকাশ: ১৫ মে ২০১৯      

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৪০ দিনের কর্মসূচীর মাধ্যমে ছড়া খনন নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় প্যানেল চেয়ারম্যানসহ কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের গুনাগরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিন দুই গ্রুপের মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে বাঁশখালীর প্রধান সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের বাঁশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় মো. জোবায়র আলম এবং মো. মোক্তার আহম্মদ নামের দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতরা হলেন- প্যানেল চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজিম, মো. এনাম, মো. আরমান, মো. মোরশেদ, মো. জাহেদ, নুরুল আলম, মো. আযম উদ্দিন, ছৈয়দুল আলম, আব্দুর ছাত্তার এবং মো. আলমগীর।

এ প্রসঙ্গে কালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ. ন. ম শাহাদাত আলম সমকালকে বলেন, ‘আর্ন্তজাতিক কোকদন্ডি ঋষিধাম আশ্রমের কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তারের নির্দেশে প্যানেল চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজিম ৪০ দিনের কর্মসূচীর আওতায় গুনাগরী ছড়া খনন কাজ করছিলেন। জনসাধারণের পানি চলাচলের ওই ছড়ার কিছু অংশ দখল করে স্থানীয় বিশিষ্ট ডাক্তার ফখরুদ্দিন আহমদসহ ওনার ভাইরা মার্কেট নির্মাণ করেছেন। ওই ছড়ার পানির স্ল্যাব উঠাতে গেলে ওরা প্যানেল চেয়ারম্যানকে কয়েক দফা বাধা দেয়। এ পর্যায়ে দুই পক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। উভয় পক্ষের দাবি একে অপরকে সশস্ত্র হামলা করেছে।’

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘ দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো পর্যন্ত কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’