ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়িতে অসহায় চসিক: আ জ ম নাছির

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

আ জ ম নাছির উদ্দীন- ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম ওয়াসার সড়ক খোঁড়াখুঁড়িতে অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, ২০২১ সাল পর্যন্ত সড়ক কাটতে হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। নগরজুড়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির কারণে নাগরিক দুর্ভোগ হচ্ছে। দুর্ভোগ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পুরনো নগর ভবন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র এসব কথা বলেন । সিটি কপোরেশনের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য রক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির চার বছর পূর্তি উপলক্ষে শিক্ষা বিভাগ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সাংবাদিকদের সহায়তা চেয়ে বলেন, নাগরিক দুর্ভোগ আপনারা তুলে ধরবেন। কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সড়কগুলোর সংস্কারে যেসব প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে সিটি করপোরেশন, সেগুলোও তুলে ধরবেন। তাহলে সাধারণ নাগরিকদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হবে না।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সড়ক কাটছে ওয়াসা। একইভাবে মাটির নিচে থাকা বিভিন্ন সরকারি সংস্থার লাইন সংস্কারের জন্যও সড়ক কাটার অনুমতি চায় তারা। সংস্কারের পর লাইনে বিভিন্ন ত্রুটি থেকে যাওয়ায় আবারও কাটার অনুমতি চায় তারা। অনুমতি না দিলে এর জন্য পরে কোনো দুর্ঘটনা হলে তার দায়ও বর্তাবে সিটি করপোরেশনের ওপর। তাই সড়ক কাটার অনুমতি দিতে হয়।

নগরবাসীকে বাস্তব সমস্যা অনুধাবন করে সিটি করপোরেশনের পাশে থাকার আহ্বান জানান মেয়র। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব তিনটি- আলোকায়ন, পরিচ্ছন্নতা ও সড়ক সংস্কার। এর বাইরেও সিটি করপোরেশন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত পরিচালনা করে আসছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া বলেন, সিটি করপোরেশন পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলেজে ২০ হাজার ৩৩০ জন, মাধ্যমিকে ৩৭ হাজার ৭০০ জন, প্রাথমিক ও কেজিতে চার হাজার ৯৫০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক হাজার ৮৭ জন স্থায়ী ও ৬৪১ জন অস্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মুজিববর্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের শিক্ষা বিভাগ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যরক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ বিপ্লব, মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা ও মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম।