কুমিল্লার মেঘনায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সভাপতি নিজাম সরকার নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ১১ জন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়। 

আহতরা হলেন- টিটু, রমজান, ইব্রাহিম, শাকিল, খালেদ, হাসান, দেলোয়ার, আনিস সরকার, ওয়াসিম, হানিফ ও সুমন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্য কাইয়ুমের বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে আজ সকালে চালিভাঙ্গা গ্রামের বাঘবাজারে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দেশিয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে উভয় পক্ষ। সংঘর্ষে দুই পক্ষের ১১ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে কয়জনকে পার্শ্ববর্তী সোনারগা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নিজাম সরকারকে ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিররের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য কাইয়ুমও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিজাম নামের একজন মারা গেছেন বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।’