সেবা সংস্থাগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনব: আতিকুল ইসলাম

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২০      

সমকাল প্রতিবেদক

জনসংযোগকালে আতিকুল ইসলাম- সমকাল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে ডিএনসিসিসহ অন্য সেবা সংস্থাগুলোকে জবাবদিহির মধ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হলে সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয়সাধনেও গুরুত্ব দেব।

সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী জনসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। খিলক্ষেত রেলগেট থেকে শুরু করে লেকসিটি, কনকর্ড, কুড়িল, যমুনা ফিউচার পার্ক, ভাটারার ডুমনি, তলনা, পাতিরা, আশকোনাসহ ঢাকা-১৮ আসনের আওতাধীন ডিএনসিসির ১৭ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি গণসংযোগ করেন। এ সময় অসংখ্য সাধারণ মানুষ এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জনসংযোগকালে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম খান নিখিল, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, মানুষের প্রত্যাশা সব সেবা সংস্থার কাজ ত্বরিতগতিতে হোক। ভোগান্তি কম হোক। নির্বাচিত হলে সবার আগে সেবা সংস্থার মধ্যে সমন্বয়সাধনের চেষ্টা করব। সিটি করপোরেশনের মতো ঢাকা ওয়াসাসহ সব সংস্থাকে জবাবদিহির মধ্যে আসতে হবে। মানুষ ভোগান্তির জন্য সিটি করপোরেশনের কাছে তাদের সমস্যার কথা বলবে। মানুষ চায় সিটি করপোরেশন সমন্বয় করুক। তাই আমরা চেষ্টা করব সব সংস্থাকে কীভাবে জবাবদিহির মধ্যে আনা যায়।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের অভিযোগ প্রসঙ্গে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতিপক্ষ, ভাতিজা তাবিথ আউয়াল বলেছেন- আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা বলবেন, আমি বলব কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করা যায়। আমি কোনো অভিযোগ করতে চাই না, আমি চাই মানুষের সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়। আমি চাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে। কাজেই প্রতিপক্ষ অভিযোগ করবে, আর আমি উন্নয়নের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেব।

এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আতিকুল ইসলাম বলেন, খিলক্ষেত এলাকায় আসার পর মানুষ আমার কাছে দাবি করেছেন এখানে কোনো বাজার নেই। অবশ্যই একটি এলাকার জন্য বাজার অতি প্রয়োজনীয়। তাই কথা দিতে চাই যদি নির্বাচিত হই এ এলাকায় একটি অত্যাধুনিক বাজার করব। এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টার করা হবে। এখানে কোনো জায়গা অবৈধ দখলে থাকলে তা দখলমুক্ত করে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ করা হবে।

আতিকুল ইসলাম দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনী প্রচার চালাতে গিয়ে কোনোভাবেই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা চলবে না। যানজট যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মানুষের দুর্ভোগ হয় এমন কোনো কাজ নেতাকর্মীরা করবেন না। আমি নির্বাচিত হলে জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই।

এদিকে আতিকুল ইসলামের ভাই লে. জে. (অব.) মইনুল ইসলাম সিজিএফ আতিকুল ইসলামের পক্ষে ডুমনি, তলান, পাতিরা অঞ্চলে গণসংযোগ করেন এবং নৌকা মার্কার জন্য ভোটপ্রার্থনা করেন।