মন্তব্য

ধর্ষণ-নিপীড়ন প্রতিরোধের জায়গাগুলো তৈরি করতে হবে

 প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০১৮ | আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৮      

 অনলাইন ডেস্ক

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের স্কুল ছাত্রী বিউটি আক্তারকে একমাস আটকে রেখে ধর্ষণ করে একই গ্রামের বাবুল মিয়া। এর প্রতিবাদে বাবুল ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিউটির পরিবার। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬ মার্চ নানাবাড়িতে লুকিয়ে থাকা বিউটিকে আবারও তুলে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা। পরদিন শায়েস্তাগঞ্জের পুরাইকলা বাজার সংলগ্ন হাওর থেকে বিউটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘরে-বাইরে সব জায়গায় নারীরা এমন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এটি সমাজে এক ধরনের অবক্ষয়। এই অবক্ষয় ও তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন


ধর্ষণ কিংবা যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধের জন্য আইন রক্ষাবাহিনী আছে, আদালত আছে। তারপরও ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটছে। আমার মতে, এসব ঘটনায় জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড দিলে, শাস্তিটা কঠিন করলে এগুলো থামবে, না হলে এ ধরনের ঘটনা চলতেই থাকবে।  

এ ধরনের ঘটনা রোধে আমরা প্রত্যাশার একটা জায়গা তৈরি করতে পারি। আদালত থেকে বিচারের রায়টা দ্রুত পাবো, সেটা কার্যকরও দ্রুত হবে-এমন প্রত্যাশা করতেই পারি। এভাবে না হলে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো না। আর এগুলো ঘটতেই থাকবে। 

দীর্ঘ সময় ধরে আমরা দেখছি নারী ও শিশুদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন হচ্ছে। বিশেষ করে চার-পাঁচ বছরের শিশুরা যেভাবে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, এটা কিছুতেই গ্রহণ করতে পারছি না।  

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ হলো আসামীকে শনাক্ত করে বিচারের সম্মুখীন করা। এই কাজটি যদি তারা নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে না করে তাহলে বিচারহীনতার জায়গা নতুন করে তৈরি হয়। সেই সঙ্গে আদালতের কাছে আমাদের আবেদন, আমরা যেন বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় কালক্ষেপণ না করি। ওই  কালক্ষেপণের ফলে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। 

পাশাপাশি এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে মানুষের মূল্যবোধের জায়গাটা তৈরি করতে হবে। যারা এ ধরনের অন্যায় করছে তাদের বিবেক সচেতনের জায়গাটা জাগ্রত করতে হবে। সেই সঙ্গে সমাজে অন্য যারা ভালো মানুষ আছেন তাদের তীব্র প্রতিরোধের জায়গাটাও গড়ে তোলা জরুরি। 

বেসরকারি ব্যবস্থায় প্রতিটি এলাকায় যদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তারা যদি অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের সম্মুখীন করে; তাহলে এটা মূল্যবোধ তৈরির একটা জায়গা হবে। এই ধরনের উদ্যোগ নিলে মানুষকে শেখানোর, সচেতন করারও একটি জায়গা হবে। তবে রাতারাতি এই সমস্যা থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এই জায়গাগুলো আগে তৈরি করতে হবে।




'আরসিবিসির সাবেক কর্মকর্তার সাজা একইসঙ্গে ইতিবাচক ও লজ্জাজনক'

 অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংক করপোরেশনের ...

১০ জানুয়ারি ২০১৯

'চ্যালেঞ্জ নয়, নতুন সরকারের সামনে অনেক সুযোগ'

 অনলাইন ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছে ক্ষমতাশীন দল ...

০২ জানুয়ারি ২০১৯

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নীতি বা পরিকল্পনা নেই

 আয়শা খানম

রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ...

২৩ ডিসেম্বর ২০১৮

'ইশতেহারে নারীর নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স নীতি থাকা উচিৎ'

 অনলাইন ডেস্ক

দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদান বাড়লেও ক্ষমতায়নের দিক দিয়ে এখনও ...

১৭ ডিসেম্বর ২০১৮