সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ইতিবাচক

 প্রকাশ : ২৪ জুন ২০১৯ | আপডেট : ২৪ জুন ২০১৯      

 অনলাইন ডেস্ক

গত বছরের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে মোট ৭৪ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ২১ শতাংশ এবং জিডিপির ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এই অর্থবছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও বরাদ্দ বাড়ানোরও প্রস্তাব করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো অবশ্যই ইতিবাচক একটা ব্যাপার। তবে এক্ষেত্রে দুটি সমস্যা রয়েছে। প্রথমত, আদৌ এই অনুদান বাড়বে কিনা তা একটা প্রশ্ন। কারণ বাজেটে যে পরিমাণ অংকের কথা বলা হয়েছে সেখানে ঘাটতি দেখা দেবে। গত অর্থবছরেও বাজেট বাস্তবায়নে ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি দেখা গিয়েছিল।

এবারও বাজেট বাস্তবায়নে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তখন পরিকল্পনায় কাঁটছাট করতে হবে। এর আগে শিক্ষাক্ষেত্রেও যে পরিমাণ বাজেট ছিল সেটা কাঁটছাট করতে হয়েছিল। সুতরাং শেষ পর্যন্ত সামাজিক নিরাপত্তা খাতে অনুদান একই থাকবে কিনা সেটা একটা ব্যাপার।

দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ক্ষেত্র্রে সরকারের ১৫৫টি প্রকল্প ও প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। এর মধ্যে ২০ থেকে ২২টির মতো প্রকল্পের খবর মন্ত্রণালয় জানছে। বাকিগুলোতে কী হচ্ছে না হচ্ছে তার খবর কেউ রাখছে না, জানছেও না। এখানে একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে। হয়তো বরাদ্দ আছে, কিন্তু যার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে সে-ই খবর জানছে না। বারবার একই পরিবার সুবিধা পাচ্ছে। অন্যরা পাচ্ছে না। বরাদ্দগুলো ভুলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

আমার মতে, এতগুলো প্রকল্প একসঙ্গে না রেখে সামাজিক কৌশলপত্র ১০ থেকে ১২টি প্রকল্পে নামিয়ে আনা উচিত। তা না হলে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা ঠিকভাবে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে।