জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ বিভাগের তিন কর্মীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ডাক বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পোস্টাল অপারেটর মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ঢলি রানী ও আমজাদ আলী খান এবং প্রতারক চক্রের মূল হোতা ফজলুল হক আশরাফ, আশরাফের স্ত্রী আছমা আক্তার ওরফে শিমু বেগম এবং প্রতারক চক্রের সদস্য লিটন। আমজাদ নিজেকে ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বলে নিজেকে পরিচয় দিত। সন্ধ্যায় র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ডাক বিভাগের একটি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা র‌্যাবকে জানায়, একটি প্রতারক চক্র পোস্টাল মানি অর্ডার জালিয়াতি করছে। কয়েক হাজার জাল মানি অর্ডারের সন্ধান পায় ডাক বিভাগ। শুধু ঢাকা জিপিও থেকেই আট হাজার জাল মানি অর্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়। নিউ মার্কেট এবং মিরপুর পোস্ট অফিসেও বিপুল সংখ্যাক জাল মানি অর্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়।

কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, সন্দেহভাজন প্রতারক হিসেবে ফজলুল হক আশরাফ এবং তার স্ত্রী আছমা আক্তার ওরফে শিমু বেগমকে আসামি করে মামলা করে ডাক বিভাগ। রোববার আগারগাঁওয়ের তালতলা থেকে আশরাফ এবং শিমুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। আশরাফ দম্পতি পোস্টাল বিভাগের ৪২টি সিল তৈরি করেছে। জালিয়াতি করে তারা মানি অর্ডারের ফরম তৈরি করেছে। এ চক্রটি জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের সাড়ে তিন কোটি টাকা লোপাট করেছে।

মন্তব্য করুন