শারদীয় দুর্গোৎসবে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও সর্বশেষ রংপুরে সাম্প্রদায়িক হামলার পেছনে কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। 

দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক হামলার ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

এসময় তিনি বলেন, ‘এগুলোর পেছনে কয়েকজন ব্যক্তি রয়েছেন, যারা এ ধরণের ঘটনা ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, যারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়।’ 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননার গুজব এনে এর আগে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর, ভোলার সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে অপপ্রচার চালিয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চায় আমাদের, এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।’ 

গত রোববার রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে বড় করিমপুর গ্রামে হামলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘রংপুরের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  আমরা ফেসবুকের লিঙ্কগুলো বের করার চেষ্টা করছি। আমাদের আরও একটু সময় দিতে হবে। আমাদের র‌্যাব, পুলিশসহ সমস্ত ইউনিট কাজ করছে। খুব শীঘ্র আমরা এ বিষয়ে জেনে ফেলব।’

কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ‘একসূত্রে গাঁথা’ বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সম্প্রীতিতে ভাঙ্গন ধরানোর জন্য এটা একটা কৌশল ছিল। অনেকে তা না বুঝে করে (ভাংচুর) ফেলেছে। আমরা কিছু ভিডিও ও টেলিফোন বার্তা পেয়েছি। আমরা কনফার্ম হয়ে বলব।’

এসময় তিনি বলেন, ‘অন্য ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ নিয়ে কেউ অবমাননা করবে, এমন মানসিকতা বাংলাদেশের মানুষের নেই।’