গত রোববার সকালে কাউকে কিছু না জানিয়ে অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু বাসা থেকে বের হয়ে যান বলে জানিয়েছেন তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল। রোববার রাতে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) শিমুর স্বামী এ কথা জানান।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, রোববার সকাল ১০টার দিকে শিমু কাউকে কিছু না জানিয়ে বের হন। এর পর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সোমবার শিমুর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়।

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বিপ্লব হাসান জানান, সোমবার দুপুরে ঢাকার কেরাণীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মরদেহটি বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছিল।

এদিকে শিমুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সোমবার রাতে শিমুর স্বামী শাখাওয়াত আলী নোবেল এবং তার বন্ধু ফরহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় স্বামী শাখাওয়াত আলী নোবেলের গাড়িটিও জব্দ করা হয়। গাড়িতে রক্তের আলামত ছিল বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নিহত অভিনেত্রী শিমুর ভাই শহীদুল ইসলাম খোকন।

পরে এ ঘটনায় কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন নিহতের ভাই শহীদুল ইসলাম খোকন। ছয়জন আসামির তালিকায় শিমুর স্বামী নোবেল, তার বন্ধু ফরহাদ এবং তাদের গাড়িচালককেও রাখা হয়। মামলা হওয়ার পর নোবেল ও ফরহাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নোবেলের গাড়িটিও জব্দ করা হয়।