শুল্ক আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর চট্টগ্রাম কাস্টমসের দুই রাজস্ব কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আসফাকুর রহমান এ আদেশ দেন। 

দুই রাজস্ব কর্মকর্তা হলেন—রাজস্ব কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মাহমুদ খান ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম মোল্লা। 

এ মামলার অপর দুই আসামি নেপচুন ট্রেডিং এজেন্সির মালিক ইকবাল হোসেন মজুমদার ও বনলতা শিপিং এজেন্সির মালিক মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০২ টাকা শুল্ক ফাঁকি ও আত্মসাতের অভিযোগ এনেছিল দুদক।

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, ‘মামলা করার পর দুই আসামি উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত তাদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী দুইজন আত্মসমর্পণ করে আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের নভেম্বরে ঢাকার রয়েল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে। শুল্কায়ন ও পণ্য ছাড়ের জন্য নেপচুন ট্রেডিং এজেন্সি ও বনলতা শিপিং এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়ম অনুসারে কায়িক পরীক্ষা ও যথাযথ শুল্কায়ন না করে পণ্যগুলো খালাস করা হয়। পরবর্তীতে দুদক তদন্ত করে ওই ঘটনায় ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০২ টাকা রাজস্ব ফাঁকি ও আত্মসাতের প্রমাণ পান। গত ২৪ নভেম্বর এ ঘটনায় মামলা করেন দুদক চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক আবু সাঈদ।