বাংলাদেশ

মাশরাফি মর্তুজা

মাশরাফি মর্তুজা

মাশরাফি মর্তুজা


ওয়ানডে ক্যারিয়ার
বয়স
৩৫
খেলার ধরন
বোলার
ম্যাচ সংখ্যা
২০৯
উইকেট
২৬৫
সর্বোচ্চ উইকেট
২৬/৬
গড় রান
১৪.০২
সর্বোচ্চ রান
৫২
হাফ সেঞ্চুরি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম পরিপূর্ণ পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা। দারুণ গতি, সুইং, দুর্দান্ত বোলিং অ্যাকশন সঙ্গে অস্বস্তিকর বাউন্স দেওয়ার ক্ষমতা তাকে আলাদা করে চেনায়। শুরুতে তার দুই ধাপ লাফিয়ে বল করা আর স্টেডিয়ামে গর্জন ওঠা সমর্থক হয়ে উঠে। দারুণ পেস বল করার দরুণ 'নড়াইল এক্সপ্রেস' ডাকনাম হয়ে যায় তার।

ক্যারিয়ারের শুরুতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণ বল করেন মাশরাফি। তখনকার বাংলাদেশ দলের কোচ অ্যান্ডি রবার্টস মাশরাফিতে মুগ্ধ হন। তাকে টেস্ট দলে ডাকেন। মূলত টেস্ট খেলা শুরু করতেই ইনজুরিতে পড়েন মাশরাফি। তবে ফিরেও আসেন। বারবার। ইনজুরি থেকে ফিরেই তিনি কেনিয়ার বিপক্ষে আফতাব আহমেদের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ভাঙেন। নেন ২৬ রানে ৬ উইকেট।

২০০৬ সালে মাশরাফি এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৪৯ উইকেট নেন। সর্বোচ্চ উইকেটের হিসেবে এক বর্ষে তার অবস্থান ১৭তম। ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে গ্রুপ পর্বে হারানোর ম্যাচে ৩৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মাশরাফি ম্যাচ সেরা হন। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যান অধিনায়ক হিসেবে। কিন্তু সিরিজের শুরুতে চোটে পড়েন। মিস করেন ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ।

হাঁটুর ওই ইনজুরিতে মাশরাফির ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারতো। অনেকেরই যায়, গেছেও। কিন্তু মাশরাফি ওই ইনজুরি থেকে ফিরে আসেন। বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব আবার কাঁধে তুলে নেন। হাঁটুতে গার্ড পরে বল করেন। বোলিং শুরুর আগে সেই গার্ড টেনে টেনে ঠিক করে নেন। দলের হয়ে পারফর্ম করেন। নিজেকে উজাড় করে দেন। মন জয় করেন ভক্তদের।

বাংলাদেশ ক্রিকেট মাশরাফি এক আবেগের নাম। ২০১৫ বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপেও দলের, দেশের স্বপ্ন সারথী। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়া মাশরাফির এটাই 'শেষ' বিশ্বকাপ।