বাংলাদেশ

মুস্তাফিজুর রহমান

মুস্তাফিজুর রহমান

মুস্তাফিজুর রহমান


ওয়ানডে ক্যারিয়ার
বয়স
২৩
খেলার ধরন
বোলার
ম্যাচ সংখ্যা
৪৬
উইকেট
৮৩
সর্বোচ্চ উইকেট
৪৩/৬
গড় রান
৯.৫
সর্বোচ্চ রান
১৮

কথায় সাতক্ষীরার টানটা মুস্তাফিজের এখনও আছে। শুধু পারফরম্যান্সটা ঠিক আগের সেই পর্যায়ে নেই। যদিও পেস আক্রমণে এখনও বাংলাদেশ দলের বড় ভরসা তিনি। ক্রিকেটে তার আবির্ভাব জ্বলজ্বলে তারার মতো। ২০১৫ বিশ্বকাপের পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-২০ ক্রিকেটে অভিষেক হয় মুস্তাফিজের। অভিষেক ম্যাচেই মোহাম্মদ হাফিজ ও শহীদ আফ্রিদির মতো ব্যাটসম্যানদের বোকা বানিয়ে নিজের শিকারে পরিণত করেন মুস্তাফিজ।

পরে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক মুস্তাফিজের। অভিষেক ম্যাচেই নেন পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে ছয় উইকেট। ক্রিকেটের একমাত্র বোলার হিসেবে শুরুর দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েন তিনি। জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভেট্টরির পরে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে শুরুর দুই ম্যাচেই নেন পাঁচ উইকেট। এরপর ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে শুরুতে চোটের কারণে খেলতে পারেননি মুস্তাফিজ। পরে তিন ম্যাচ খেলে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৯ উইকেট নেন। কিউইদের বিপক্ষে ২২ রানে নেন ৫ উইকেট।

মুস্তাফিজের সৌরভ ক্রিকেট বিশ্বে ছড়াতে আর বাকি থাকেনি। পরে আইপিএল ডাক পেয়ে সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। তার ইয়র্কার খেলতে গিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের আন্দ্রে রাসেলের ভূপাতিত হওয়া সেই দৃশ্য এখনও ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে লেগে থাকার কথা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে মুস্তাফিজ সেবার হায়দরাবাদকে আইপিএল শিরোপা এনে দেন। নিজে আইপিএলের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতেন। ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিত হয়ে ওঠেন 'ফিজ' নামে।

তবে ওই আইপিএল এবং পরে টি-২০ ব্লাস্টে খেলতে গিয়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েন ফিজ। সেই ইনজুরি থেকে সেরা ফর্মে ফিজ আর ফিরতে পারেননি। বলের পেস কমে গেছে। তাই কাটার স্লোয়ারের কার্যকারিতাও কমেছে। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলকে হতাশ করেন মুস্তাফিজ। দু'বার কিউই সফরে গিয়ে সামর্থ্যের সেরাটা দিতে পারেননি। তবে ফিজ ধীরে ধীরে ফিরছেন। গতি ফিরে পাচ্ছেন। চোটহীনভাবে খেলতে পারলে সেরা ফিজকে দেখার অপেক্ষা ভক্তরা করতেই পারেন।