ভেন্যু

ট্রেন্ট ব্রিজ

বিশ্বকাপ ম্যাচ: ০৫

ধারণক্ষমতা: ১৭,০০০

নির্মাণ: ১৮৪১

স্থাপত্য ও নান্দনিকতার বিচারে নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজ স্টেডিয়াম বিশ্বের সেরা স্টেডিয়ামগুলোর একটি। ট্রেন্ট নদী নামে এর নামকরণ করা হয়েছে। ১৮৩০ সাল থেকে স্টেডিয়ামটি নটিংহামশায়ারের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনা হয়। ১৯৭৪ সালে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে এখানে প্রথম ওয়ানডে খেলে ইংল্যান্ড। ২০০৯ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি যুগে পদার্পণ করে ট্রেন্ট ব্রিজ।

২০১৪ সালে বাজে উইকেটে দায়ে জরিমানা গোনার পর থেকে আমূল বদলে গেছে ট্রেন্ট ব্রিজের উইকেট। এখানকার উইকেটগুলোকে এখন ব্যাটিং স্বর্গ বলা হয়। জরিমানা দেওয়ার পর এখানে দুবার চারশোর্ধ রান করে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ৩৫০ রান তাড়া করে তাদের জয়ের রেকর্ডও রয়েছে এ মাঠে।

ট্রেন্টব্রিজকে জেমস অ্যান্ডারসনের লাকি গ্রাউন্ড মনে করা হয়। এই ভেন্যুতেই ক্যারিয়ারের ৩০০ এবং দেশের মাটিতে ৩০০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি। ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরি করার একমাত্র রেকর্ডটি অ্যাশটন অ্যাগারের। এখানেই রেকর্ডটি করেন অজি স্পিনার। এই ভেন্যুতেই ট্রেস্ট ক্যারিয়ারের ১১ হাজার রান পূর্ণ করেন আধুনিক ক্রিকেটের ডন 'শচীন টেন্ডুলকার'।

এবারের বিশ্বকাপের মোট পাঁচটি ম্যাচ হবে এই ভেন্যুতে। ২০ জুন এই মাঠেই বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।