ভেন্যু

ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড

বিশ্বকাপ ম্যাচ: ০৩

ধারণক্ষমতা: ১১,০০০

নির্মাণ: ১৮৮৯

ব্রিস্টলের কথা মনে এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অ্যাভন নদী। শান্ত ও সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই অ্যাভনের তীরেই বড় হয়েছেন উইলিয়াম শেকসপিয়র। ব্রিস্টল ক্রিকেট গ্রাউন্ডটা সেখান থেকে খুব একটা দূরে নয়। মাঠ থেকে খানিকটা দক্ষিণে তাকালে চোখ পড়বে অ্যাভন নদী। নদীর সুশীতল পানি খেলা করছে তার আপন ঢঙে। চারদিকের জনপদ যেন সেই খেলায় বুঁদ হয়েছে।

হাজার বছরের ঐতিহ্য বুকে ধরে শান্ত ঢেউগুলো নিঃশব্দে আছড়ে পড়ছে দু'ধারে। এমন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পাশে দাঁড়িয়ে অ্যাস্টন গেট স্টেডিয়াম। সৌন্দর্য ও ভালোলাগার দিক থেকে ইংল্যান্ডের সেরা তিনটি শহরের একটি এই ব্রিস্টল।

ক্রিকেট মাঠ হিসেবে ব্রিস্টলের ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৮৯৯ সালে এই মাঠটি কিনে নেন আধুনিক ক্রিকেটের জনক খ্যাত স্যার ডব্লিউজ জি গ্রেস। তখন থেকেই এটা কাউন্টি দল গ্লস্টারশায়ারের মাঠ হিসেবে পরিচিত। মাঝের বছরগুলোতে বেশ কয়েকবার মালিকানা বদল হয় মাঠটির। ১৯৬০ সালে এখানে আধুনিক সুবিধা সংবলিত স্টেডিয়াম তৈরি হয়।

আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেতে ব্রিস্টলকে অপেক্ষা করতে হয় ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত। সেবার বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড-শ্রীলংকার ম্যাচ দিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনা হয়। সেই ম্যাচের পর আবার দেড় যুগ পর ১৯৯৯ বিশ্বকাপ দিয়ে শীতনিদ্রা ভাঙে ব্রিস্ট্রলের। এখন পর্যন্ত ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে এখানে।

বিশ্বকাপের তিনটি প্রস্তুতি ও মূলপর্বের আরো তিনটি ম্যাচ হবে এই ব্রিস্টলে। ১১ জুলাই এই ভেন্যুতে শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে মাশরাফিরা। ২০১০ সালে এই মাঠেই ইংল্যান্ডকে প্রথমবারের মতো হারিয়েছিল টাইগাররা।