ভেন্যু

হেডিংলি

বিশ্বকাপ ম্যাচ: ০৪

ধারণক্ষমতা: ১৮,৩৫০

নির্মাণ: ১৮৯০

ক্রিকেটের আরেকটি পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী ক্রিকেট ভেন্যু হলো হেডিংলি ক্রিকেট গ্রাউন্ড। ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব ইয়র্কশায়ারের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হেডিংলিতে ক্রিকেটের পাশাপাশি রাগবি ম্যাচও হয়। এবারের বিশ্বকাপে হেডিংলিতে হবে চারটি ম্যাচ।

ক্রিকেটীয় পরিসংখ্যানে দারুণভাবে সমৃদ্ধ লিডসের এই মাঠ। ১৯৩০ সালের অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টের প্রথমদিনই ৩০৯ রান তুলে নেন সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। আজ পর্যন্ত স্যার ডনের রেকর্ডটি অক্ষত রয়েছে। এরপর ১৯৩৪ সালে আবারও এই মাঠে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেন ডন।  সেবার তিনি করেন ৩০৪ রান।

১৯৮১ সালে হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টের কথা ক্রিকেটপ্রেমীরা কোনোদিনই ভুলবেন না। ইয়ান বোথামের অপরাজিত (১৪৯ ও ৫০ এবং দুই ইনিংসে ৭ উইকেট) ইনিংসের সঙ্গে বব উইলিসের আগুন ঝড়া বোলিংয়ে  (৮/৪৩) ইতিহাসের দ্বিতীয় দল হিসেবে ফলোঅনে পরেও ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

২০০৬ সালে এই মাঠেই ইংলিশদের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ২৮৬ রান তোলেন সনৎ জয়সুরিয়া ও উপুল থারাঙ্গা। ২০১৮ সালে ফখর জামান ও ইমাম উল হক রেকর্ডটা ভাঙার আগে ১২ বছর টিকে ছিল সবোর্চ্চ রানের রেকর্ডটি। তবে এ বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৬৫ রানের নতুন রেকর্ড গড়েছেন জন ক্যাম্পবেল ও সাই হোপ।

এই ভেন্যুতে সবোর্চ্চ দুটি করে শতক রয়েছে জয়সুরিয়া ও মার্কাস ট্রেসকোথিকের। হেডিংলির পেস সহায়ক উইকেটে সেরা বোলিং রেকর্ডটি ওয়াকার ইউনিসের। ২০০১ সালে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের সপ্তম মাচে ৩৬ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন গুঁড়িয়ে দেন সাবেক পাকিস্তান পেসার। তবে এই মাঠে সবচেয়ে ভালো বোলিং বিশ্লেষণ অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার গ্যারি গিলমোরের। ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ১২ ওভারে ১৪ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট।