ফরিদপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২০   

ফরিদপুর অফিস

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ -সমকাল

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ -সমকাল

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান মিন্টুর বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের সিএন্ডবি ঘাট আইজুদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী এই কর্মসূচি পালন করেন। 

এ সময় বক্তব্য রাখেন ডিক্রিরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান ফজল, ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার খান, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগ নেতা আলমগীর ফকিরসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, এই অঞ্চলে মিন্টু চেয়ারম্যানের পরিবার ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের লড়াই সংগ্রামে রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে হামলা, মামলা, কারাভোগের শিকার হয়েছে। আর আওয়ামী লীগ সরকার আমলেও হাইব্রিড দ্বারা লাঞ্ছিত, শোষিত। নেত্রীর দেওয়া মনোনয়নপত্র ছিনতাই করে নেওয়া হয় মিন্টু ফকিরের কাছ থেকে। তারপরও এলাকার মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে সেই অপমানের জবাব দিয়েছে মিন্টুকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে।

মানববন্ধন কর্মসূচির পরে ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, আমি এক নির্যাতিত আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। বিএনপি-জামায়াত আমলে আমাদের ওপর অত্যাচার, জুলুম চালানো হয়েছে। জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছি তখন। আজ দল ক্ষমতায় থাকার সময়ও নির্যাতিত হচ্ছি। এলাকার মানুষের আস্থা আর ভালোবাসায় বেঁচে আছি। রুবেল-বরকত কিছুদিন আগেও রাজনৈতিকভাবে আমার বিরুদ্ধে ছিল। ষড়যন্ত্র করেছে একের পর এক। আমাকে জিম্মি করে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের কথা বলে। এখন আমার বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

এতদিন কথা বলেননি কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনারাতো দেখেছেন, লিখেছেন হাতুরি বাহিনী, হেলমেটবাহিনীর নির্মম অত্যাচারের কথা। জীবনের ভয়ে কথা বলতে পারিনি সেদিন। তারপরও সাংবাদিকদের লেখার জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই। ধন্যবাদ জানাই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করার জন্য দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।