গোপালগঞ্জে ৩০ গ্রামের তিন হাজার পরিবার পানিবন্দী

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২০   

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা অতিক্রমের পর্যায়ে রয়েছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চ্যানেলের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গোপালগঞ্জ সদর, মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী ও কোটালীপাড়া উপজেলার বিলবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলার ৩০টি গ্রামের অন্তত ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। 

চলাচলের রাস্তাঘাট ডুবে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে মাছের সহস্রাধিক পুকুর ভেসে গেছে। আমন ধানের বীজতলা ও আউশ ধান তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। বানভাসী প্রায় ৭ শ’ পরিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউপি পরিষদ ও উচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। তারা পরিাবার পরিজন ও গবাদিপশু দিয়ে কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এ দিকে মধুমতি নদী ও মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদহ, উরফি, ইছাখালি ও ধলইতলায় ভাঙন শুরু হয়েছে। করোনার মধ্যে গ্রাম প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা অতিক্রমের পর্যায়ে রয়েছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ৪ স্থানে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। আমরা ভাঙন প্রতিরোধে সেখানে বালুর বস্তা ফেলার উদ্যোগ নিয়েছি।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, বন্যার্তদের মানবিক খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।বানাভাসীদের দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দুর্যোগ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।