টাঙ্গাইলের সখিপুরে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পাশ্ববর্তী উপজেলা ঘটাইল থেকে ওই তরুণীকে ডেকে এনে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই তরুণীর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাবা জানান, সখিপুরের জয় নামে এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে তার মেয়ের পরিচয় হয়। তারপর থেকে তারা ফোনে আলাপ করত। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়  ফোন পেয়ে তার মেয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায়। রাতে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। বুধবার দুপুরে মেয়েকে হাসপাতালে পান তিনি।

ঘাটাইলের সাগড়দিঘী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই তরুণীকে কয়েক যুবক সখিপুরে নিয়ে যায়। রাতে পাঁচজন তাকে ধর্ষণ করে। এতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভোরে এক যুবক মোটরসাইকেলে তাকে ঘাটাইলের শোলাকুড়ায় পৌঁছে দিতে আসে। সেখানে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। ঘটনাটি স্থানীয়দের চোখে পড়ে। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে স্থানীয় লোকজন। তখন ওই তরুণী ঘটনা খুলে বলে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মেয়েটিকে উদ্ধার ও যুবককে আটক করে। 

আটক ওই যুবকের নাম সিয়াম। তিনি সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামের ময়নালের ছেলে। 

সখিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মেয়েটি সরল বিশ্বাসে জয় নামে এক বন্ধুর সঙ্গে সখিপুর আসে। রাতে তারা মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। 

তিনি জানান, আটক সিয়াম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার সঙ্গে পৌর এলাকার নাছির উদ্দিনের ছেলে ও মেয়ের বন্ধু জয় মিয়া ও গোরগোবিন্দপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া ধর্ষণ করে। মেয়েটি অজ্ঞাত আরো দুইজনসহ পাঁচজনের কথা পুলিশকে জানিয়েছে। 

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, মেয়েটির পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

মন্তব্য করুন