চট্টগ্রামের পটিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় জিকু নামের এক মিনি বাসচালককে অপহরণের ঘটনায় অপহরণকারী নুর হোসেন ওরফে নুরুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে আদালতে পাঠালে আদালত জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তার নুর হোসেন উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের মেহের আটি এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। এ ঘটনায় গত বছরের জুলাই মাসে জিকুর স্ত্রী দুলি আকতার পটিয়া থানায় একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছিলেন।

পুলিশ জানায়, নুর হোসেন (৩৫) পটিয়া সড়কে চলাচলরত বিভিন্ন গাড়িতে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। তিনি পটিয়া চাঁদাবাজ চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি শামীম ওরফে সায়েম নামের একজনের গ্রুপে কাজ করেন। তাদের গ্রুপে মোট পাঁচজন সদস্য। অপহরণের শিকার জিকু পটিয়া থেকে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে মিনি বাস চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রায় সময় জিকুর কাছে চাঁদা দাবি করে নুর হোসেন। বাসচালক জিকু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত বছরের ১২ জুলাই বিকেলে উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় জিকুর গাড়ি থামিয়ে জিকুকে তুলে নিয়ে একই এলাকার একটি মার্কেটের পরিত্যক্ত কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে এবং তার পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করে নুর হোসেনসহ ওই চক্রটি। এরপর তিনি কৌশলে পুলিশকে জানালে পুলিশ জিকুকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ দুই অপহরণকারীকে আটক করলেও চাঁদাবাজ নুর হোসেন পালিয়ে যায়। গত বুধবার রাতে পুলিশ পলাতক নুর হোসেনকে উপজেলার কালারপোল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, গ্রেপ্তার নুর হোসেন নুরু পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদা আদায়ের জন্য অপহরণে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের পাঁচ সদস্যের একটি চাঁদাবাজ গ্রুপ দীর্ঘ দিন ধরে পটিয়া সড়কে বিভিন্ন গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। এ গ্রুপের প্রধান শামীম ওরফে সায়েম। তাকেও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। চাঁদাবাজ নুর হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।