দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এরআগে মঙ্গলবার একই আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করতে আসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি। তবে আদালত অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় ওইদিন তাকে পরে অন্য কোনো দিন আসার জন্য বলেন। এরপর তার আইনজীবী আত্মসমর্পণের আবেদন তুলে নেন। পরে দ্রুত আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন তিনি।

করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সম্পাদন এবং নমুনা পরীক্ষা বাবদ ও করোনা চিকিৎসায় খরচ বাবদ তিন কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

চার্জশিটভুক্ত অন্য ৫ আসামি হলেন- রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। সেখানে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে নাম আসায় চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।