নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ট্রাকচাপায় সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম জনি নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরোনো সড়কের ফতুল্লার পঞ্চবটি কলোনির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৩টায় মারা যান তিনি।

নিহত জনি ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী খানকা এলাকার আমির হোসেনের ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে মাতম চলছে। তিনি স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী এক ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

ফতুল্লা মডেল প্রেস ক্লাবের সদস্য ও চ্যানেল এস টিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি ও স্থানীয় নারায়ণগঞ্জের আলো পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ছিলেন জনি। এ ছাড়া তিনি ফটো নারায়ণগঞ্জ অনলাইন পোর্টালের সম্পাদনা করতেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে জনির মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাতে মোটরসাইকেলে ফতুল্লা থেকে চাষাঢ়ার দিকে যাচ্ছিলেন জনি। এ সময় শাহ সিমেন্টের একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেলসহ জনিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। আশপাশের লোকজন এসে জনিকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, শাহ সিমেন্টের ট্রাকচালকরা আরও কয়েকজন পথচারীকে চাপা দিয়ে হত্যা করেছে। তাদের অতিরিক্ত মালবাহী ট্রাক রাস্তারও ক্ষতি করছে।

সাংবাদিক জনি হত্যার প্রতিবাদে বুধবার সকাল ১১টায় ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জনির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।