ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় নেত্র নিউজের সম্পাদক সুইডেনপ্রবাসী তাসনিম খলিলসহ চার 'পলাতক' আসামির সম্পত্তি ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস্‌সামছ জগলুল হোসেন সোমবার এ আদেশ দেন। বিষয়টি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামিম আল মামুন।

অন্য তিন আসামি হলেন- আলজাজিরায় সাবেক সেনাপ্রধানকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত হাঙ্গেরিপ্রবাসী সামিউল ইসলাম খান সামি ওরফে জুলকারনাইন, ব্লগার আশিক মোহাম্মাদ ইমরান ও ওয়াহিদুন্নবী ওরফে স্বপন ওয়াহিদ।

এ মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত সাত আসামির মধ্যে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, পাঠচক্রভিত্তিক সংগঠন 'রাষ্ট্রচিন্তার' সদস্য দিদারুল ইসলাম ভুঁইয়া এবং ঢাকা স্টক এপচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক পরিচালক ও ব্রোকারেজ হাউস বিএলআই সিকিউরিটিজের কর্ণধার মিনহাজ মান্নান ইমন জামিনে আছেন।

গত ১২ সেপ্টেম্বর বিচারক এ মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে চার আসামিকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছিলেন।

মহামারির মধ্যে গত বছর ৬ মে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর এবং ব্যবসায়ী-লেখক মুশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে ওই দু'জনসহ ১১ জনকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন র‌্যাব-৩-এর ডিএডি আবু বকর সিদ্দিক। পরদিন মিনহাজ মান্নান ও দিদারুলকেও এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে ফেসবুক ব্যবহার করে জাতির পিতা, মুক্তিযুদ্ধ, করোনাভাইরাস মহামারি সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র-সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিপ্রায়ে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানো, অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারার অভিযোগ আনা হয়।