দেশে পেঁয়াজের সংরক্ষণে ডাচ প্রযুক্তি ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। শুক্রবার নেদারল্যান্ডসের ইমেলুর্ডে শীর্ষস্থানীয় পেঁয়াজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, প্যাকেজিং ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াটারম্যান ওনিয়ন্স’ (Waterman Onions) পরিদর্শন ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিলে নেদারল্যান্ডস থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা যেতে পারে। এ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কারণ সেপ্টেম্বরেও সেখানে পেঁয়াজ হারভেস্ট হয়।

পরে কৃষিমন্ত্রী দেশটির আন্দিকে অবস্থিত শাকসবজি প্রক্রিয়াকরণ, স্টোরেজ সরঞ্জাম ও কৃষিযন্ত্র নির্মাতা-বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘অলরাউন্ড ভেজিটেবল প্রসেসিং’ পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রী বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে এরকম শিল্প স্থাপনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও সকল সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

এদিন কৃষিমন্ত্রী ইমেলুর্ডে এগ্রোফুড ক্লাস্টারে আলুর উন্নত জাত, উৎপাদন, প্রসেস ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি ঘুরে দেখেন। আলু উৎপাদনে জড়িত বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন। দেশে রপ্তানিযোগ্য আলুর উৎপাদন এবং আলু সংরক্ষণে প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেন।  

এসময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম, এবং জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।