গাজীপুরে বাসার ছাদে নিয়ে জুয়েনা আক্তার নামে এক নারীকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরের তারগাছ মেম্বারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহত নারীর স্বামী সুজন মিয়া পলাতক রয়েছেন।

নিহত জুয়েনা আক্তার সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার থানার সুরিগাঁও গ্রামের রাকিব আলীর মেয়ে। আর অভিযুক্ত সুজন মিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহে। তিনি পেশায় রডমিস্ত্রি।

জুয়েনার পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, জুয়েনা একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। বছর তিনেক আগে সুজনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সম্প্রতি সুজন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। শুক্রবার রাতে স্ত্রী জুয়েনাকে বাসার ছাদে নিয়ে যায় সুজন। একপর্যায়ে তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করে পালিয়ে যায় সুজন। রক্তাক্ত অবস্থায় জুয়েনাকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশিরা। রাত ১০টার দিকে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।

জুয়েনার স্বজনদের দাবি, সুজন বেশিরভাগ সময়ই মাদকাসক্ত থাকতেন। শুক্রবার রাতেও মাদক সেবন করে জুয়েনাকে হত্যা করে সে। 

গাজীপুর মহানগর পুলিশের গাছা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আহসান হক জানান, জুয়েনার মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ কমিশনার আহসান হক বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুজন পলাতক রয়েছে। খুব শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে, পুুলশের অভিযান চলছে।