কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার এসআই মো. ইসমাঈলের বিরুদ্ধে চোরা কারবারিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ৩৩ টি মোবাইল ফোন ও দেড় লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ভৈরব থানার এসআই মো. ইসমাইল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নাটাল মোড় এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মোবাইল ও দেড় লাখ টাকাসহ চার আসামিকে আটক করেন। পরে তাদেরকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে চার জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে ২২৪ টি মোবাইল ফোন জব্দ দেখালেও দেড় লাখ টাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি ।

আসামিদের স্বজনদের অভিযোগ, আসামিদের কাছে ২৫৭ টি মোবাইল ফোন এবং দেড় লাখ টাকা ছিল। তাদের দাবি, এস আই ইসমাইল ৩৩ টি বিদেশি মোবাইলসহ দেড় লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

ভৈরব থানার এসআই ইসমাইল বলেন, আমি গণনায় ২২৪ টি বিদেশি মোবাইল পেয়েছি। বাকী ৩৩ মোবাইলের কথা আমি জানি না। টাকার কথা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কিছু টাকা পেয়েছি যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি। কত টাকা জানতে চাইলে তিনি বলেন আইও'র সাথে যোগাযোগ করলে জানতে পারবেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে তিনি দাবি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি জানান, গতরাতে মামলার তদন্তটির দায়িত্ব পেয়েছি। জব্দ করা ২২৪ টি মোবাইল ও ৯৬ হাজার টাকা নগদ পেয়েছি। এজাহারে টাকার কথা উল্লেখ নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তের পর সব কিছু জানা যাবে।

ভৈরব থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। কোন অফিসার যদি মোবাইল আত্মসাৎ করে থাকে, তদন্তে প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।