বিএনপিকে মানুষ ‘হত্যা ও সন্ত্রাসীর রাজনীতি’ ছেড়ে গণতন্ত্রের পথে আসার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে সহিংসতা হয়েছিল এতে দেশের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলো। এ সময় সংখ্যালঘুরা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল তা অবিশ্বাস্য।’

সোমবার দুপুরে পলাশ থানা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাঁশখালীতে বিএনপির সন্ত্রাসীরা বৌদ্ধ ও চাকমাদের বাড়িতে আক্রমণ করে ছয় দিনের বাচ্চাসহ সাতজনকে পুড়িয়ে হত্যা করে। পাবনায় পূর্ণিমা নামে এক মেয়েকে যুবদল ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ধর্ষণ করে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্ণিমা ও তার পরিবারকে পাবনায় পুনর্বাসন করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচন হবে নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই। নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ।’ 

এ সময় মন্ত্রী বিএনপিকে মানুষ হত্যা এবং সন্ত্রাসী রাজনীতি ছেড়ে গণতন্ত্রের পথে আসার আহ্বোন জানান।

সম্মেলন উদ্বোধন করেন নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জি এম তালেব হোসেন। পলাশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলিপের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি।

এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও মানব সম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এ বি এম রিয়াজুল কবির কাউছার, লে. কর্নেল (অব:) নজরুল ইসলাম হিরু এমপি, তামান্না নূসরাত বুবলী এমপি ও পলাশের সাবেক সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটন, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন ও ঘোড়াশাল পৌর মেয়র আল মুজাহিদ হোসেন তুষার প্রমুখ।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে পলাশের সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলিপকে তৃতীয় বারের মতো সভাপতি ও কামরুল ইসলাম গাজীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।