সুনামগঞ্জে গত দুই দিন ধরে একই উচ্চতায় সবকটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দেশে বৃষ্টিপাত কম হলেও উজানের ঢল নামা অব্যাহত থাকায় নদী উপচে পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করেছে। 

বিশেষ করে সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারের বেশিরভাগ সড়কই পানির নিচে থাকায় যোগাযোগ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন এই দুই উপজেলার ৪ লাখেরও বেশি মানুষ। ওই দুই উপজেলাসহ বেশিরভাগ উপজেলার নিম্নাঞ্চলে টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। জনপদ ডুবে যাওয়ায় অনেক দিনমজুর কাজ হারিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছুদ্দোহা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সুরমার পানি সুনামগঞ্জ পয়েন্টে  বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

জেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কাসেম বলেছেন, নিম্নাঞ্চলে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। 

জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে বন্যার্ত পরিবারের কাছে ১০ কেজি করে জিআরের চাল পৌঁছে দেওয়া হবে। দুই উপজেলায় ৪০ টনসহ জেলার ১১ উপজেলায় ১৪০ টন চাল, নগদ ১২ লাখ টাকা এবং ২ হাজার বস্তা শুকনো খাবার বিতরণের জন্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ সহায়তা কিছু বিতরণ হয়েছে, আজ আরও বিতরণ হবে। 

এদিকে ছাতক দোয়ারাবাজারের স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেছেন, সরকার দুর্গতদের পাশে আছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সকলেই সহায়তা পাবে।