টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় সৃষ্টি স্কুলের শিক্ষক আবু বকরকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে রোববার তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামসুল আলম। রিমান্ডে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, ২০ জুন সন্ধ্যায় শিহাবের লাশ সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়। তখন সৃষ্টি স্কুল কর্তৃপক্ষ আত্মহত্যা বলে দাবি করেন। আর পরিবারের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত হত্যা।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়। ২৬ জুন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত শিহাবের মা আছমা আক্তার বাদী হয়ে ২৭ জুন বিকেলে ছয় শিক্ষক আবু বকর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুম, মতিন ও বিজনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। আরও ৮-১০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়। মামলার পর আবু বকরকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত শিহাব সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, অতি সতর্কতার সঙ্গে রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। বিনা অপরাধে কোনো শিক্ষক যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যেই হোক তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে।