‘অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতাই বাতিল’

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০১৯     আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০১৯      

বিনোদন প্রতিবেদক

ইলিয়াস কাঞ্চন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ২৫ অক্টোবর। এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। ভোট সুষ্ঠুভাবে যেন হয় তার জন্য ইতিমধ্যেই নিয়মনীতি বাতলে দিয়েছেন সমিতির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক।

তিনি জানালেন, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত প্রার্থীরা কী ধরনের আচরণ করতে পারবেন, প্রচার-প্রচারণায় কতটা অংশ নিতে পারবেন সে বিষয়ে জানানো হয়েছে সব প্রার্থীকে। 

প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে সমকাল অনলাইনকে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, 'দেখা যায় নির্বাচন উপলক্ষে সমিতির আশপাশে বেশ খাওয়া-দাওয়া হয়। ফলে সমিতিতে গ্যাদারিং তৈরি হয়। তাই আমাদের সমিতির স্টাডি রুমের সামনের জায়গায় জটলা তৈরি হয় এমন কিছু করতে সকল প্রার্থীকে নিষেধ করা হয়েছে।  এছাড়াও নির্বাচন উপলক্ষে দড়ি দিয়ে পোস্টার ব্যানার লাগানো– এগুলোও করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি।। পোস্টার লাগানোর জন্য একটা নিয়ম করে দিয়েছি। পাশাপাশি আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি বোর্ড থাকবে। সে বোর্ডে সব প্রার্থীর ছবি সমানভাবে লাগিয়ে দেয়া হবে।'

ভোটারদের প্রার্থীরা যেন কোন প্রকার চাপ বা আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে প্রভাবিত না করতে পারে সে দিকেও নির্বাচন কমিশন খেয়াল করছে জানিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নির্বাচনে গুরুতর একটা ব্যাপার হচ্ছে ভোটারকে প্রভাবিত করা। এই যেমন ভোটারদের টাকা-পয়সা বা এটা-সেটা দিয়ে প্রভাবিত করা। এ ধরনের কোনো অভিযোগ এলে সেটা যাচাই-বাছাই করে প্রমাণ পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতাই বাতিল করা হবে।’

পাশাপাশি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার ওপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে ভোটারদের কাছে প্রার্থীরা মোবাইল করে ভোট চাইতে পারবেন। তাদের টেক্স (এসএমএস) করতে পারবেন। মেইল করতে পারবেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, মনে রাখতে হবে এটা শিল্পীদের নির্বাচন। তাও চলচ্চিত্র শিল্পীদের। তাদের নির্বাচনেও যেন শিল্পের ছাপ থাকে।