বাপ্পি-মাহির বয়স ৭!

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০১৯     আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০১৯      

বিনোদন প্রতিবেদক

নায়ক-নায়িকা হিসেবে সাত বছর পূর্ণ করলেন চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী ও নায়িকা মাহিয়া মাহি। সাত বছর আগে ২০১২ সালের এই দিনে বাপ্পি-মাহি জুটি হয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হন। প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধরে ‘ভালোবাসার ‘রঙ’ ছবি দিয়ে যাত্রা শুরু হয় তাদের। জাজেরও প্রথম ছবি এটি। সে হিসেবে আজ জাজেরও জন্মদিন।  

সে বছর ‘ভালোবাসার রঙ’ ছবিটি মুক্তি পায় ৫ অক্টোবর। ছবিটির নির্মাতা ছিলেন শাহিন সুমন। এই ছবির মাধ্যমেই ঢাকাই ছবি নতুন মাত্রা পায়। ডিজিটাল সিনেমার নতুন যাত্রা শুরু হয়। ছবিটিও দর্শক নন্দিত হয়। 

এরপর দীর্ঘদিন একসঙ্গে জুটি হয়ে একাধিক ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন বাপ্পি-মাহি।  পথচলার সাত বছর পূর্ণ করে পুরনো দিনগুলোর কথা ভেবে স্মৃতিকাতর নায়ক-নায়িকা দু’জনেই। 

বিশেষ এ দিনে বাপ্পি চৌধুরী ধন্যবাদ জানিয়েছেন দর্শকদের, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জাজসহ সেইসব মানুষদের যারা তার ক্যারিয়ারে রঙ মেখেছেন সাফল্যের আল্পনায়।

বাপ্পী বলেন, ‘আমি ছিলাম অতি সাধারণ একটা ছেলে। সে সাধারণ ছেলেটাকে আজ সারা দেশের মানুষ চিনে, তারা আমার ছবি দেখে। রাস্তায় দেখলে বলে, ওই যে ওটা বাপ্পি না? অনেকেই ‘ভাইয়া, একটা সেলফি তুলি’ বলে জড়িয়ে ধরে।

চিত্রনায়ক বাপ্পির জন্ম হতো না যদি ২০১২ সালের আজকের দিনে ‘ভালোবাসার রঙ’ মুক্তি না পেতো। তাই আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার জন্মদাতা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া ও আবদুল আজিজ ভাই ও পরিচালক শাহীন সুমন ভাইয়ের প্রতি। তারা আমার রূপালি পর্দার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তাদের কাছে আমি আজীবনের জন্য ঋণী। কৃতজ্ঞতা আবদুল্লাহ জহির বাবু ভাইয়ের কাছেও। উনি আমার জন্য যা করেছেন তা ভোলার নয়। কৃতজ্ঞ আমার বন্ধু মাহির প্রতি। আমরা একসাথে অনেকগুলো ছবি করেছি।আজকের দিনে আরও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার সকল দর্শক, ভক্তদের। তাদের ভালোবাসায় এ পথচলা সহজ হয়েছে।কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার সকল সাংবাদিক বন্ধুদের। তাদের প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই আমাকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করেছে। গত সাত বছর চলার পথে যদি কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তাহলে ক্ষমা চাইছি। আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে এদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো কিছু ছবি উপহার দিতে চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

সাত বছরের ক্যারিয়ার পার করা মাহিও বেশ আপ্লোত। তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো তার অনুভূতির কথা।  মাহি বলেন, মনে হচ্ছে সেদিন এলাম চলচ্চিত্রে। চোখের পলকেই যেনো সাতটি বছর কেটে গেলো। আমি আর বাপ্পি দারুন এক জুটি হয়ে এসেছিলাম। অতীতের অনেক স্মৃতিই মনে পড়ছে। সবার প্রতি ভালোবাসা। যাদের জন্য আজকের মাহি হতে পেরেছি তাদের সবার প্রতিই কৃতজ্ঞ।