বাসে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৩২ মামলা ও ২৩ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীতে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়াও রুট পারমিটের শর্ত ভঙ্গ করায় তিনটি বাস ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে। আটটি বাসকে ৩৬ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কারণে ৯৫ হাজার ২০০ টাকাসহ মোট এক লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে কেউ সাজা পায়নি। বিআরটিএর পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মো. সরওয়ার আলম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ রোধে গত ১০ জানুয়ারি গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে গত ১৩ জানুয়ারি সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি দাবি করে, অর্ধেক আসন খালি রাখলে বাস সংকট হবে- এ কারণে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে বাস চালাতে মৌখিক অনুমতি দিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত যত আসন তত যাত্রী নিয়ে বাস চলাচলের কোনো লিখিত আদেশ, প্রজ্ঞাপন কিংবা পরিপত্র জারি হয়নি।

১৫ জানুয়ারি থেকে 'যত সিট তত যাত্রী' নিয়ে বাস চলাচলের কথা থাকলেও মঙ্গলবারও দেখা গেছে অফিস শুরু ও ছুটির সময়ে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। বাসে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হলেও চালক-শ্রমিক ও যাত্রীরা তা মানছেন না। করোনার টিকা নেওয়া না থাকলে চালক-শ্রমিকরা বাস চালাতে পারবেন না- এ নির্দেশনাও মানা হচ্ছে না।