গণফোরাম সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের ল’ চেম্বারের কাছে ছয় কোটি টাকা কর ফাঁকির দাবির বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নোটিশের কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

রুলে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস থেকে এনবিআরের কর দাবির সংক্রান্ত কর আপিলেট ট্রাইব্যুনালের আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। কর আপিলেট ট্রাইব্যুনালের (সার্কিট বেঞ্চ- ২) চেয়াম্যান, এনবিআরের চেয়ারম্যান এবং কর অঞ্চল-১৫ এর ডেপুটি কমিশনারকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, রমজান আলী শিকদার, মোস্তাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

আদেশের পর আইনজীবী রমজান আলী শিকদার সাংবাদিকদের জানান, ট্যাক্সের সব অর্থ আগেই পরিশোধ করা হয়েছে। এরপর তাদের (এনবিআর) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করতে হলে মোট দাবির ওপর ১০ শতাংশ অর্থ জমা দিতে হয়। সেই অনুযায়ী ৮৩ লাখ টাকা জমা দেওয়ার পর রিট করা হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আদালতের অ্যাসেসমেন্টের পর নির্দেশনা অনুযায়ী আরও ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। এখন ১০ শতাংশ পূরিপূর্ণ হয়েছে। আদালত আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বৈধতা প্রশ্নের রুল জারি করেছেন এবং ওই কর বর্ষের কর আদায় সংক্রান্ত কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়েছেন।