ঢাকা বুধবার, ২২ মে ২০২৪

আন্তঃব্যাংক ডলারের দরেও বড় ব্যবধান

আন্তঃব্যাংক ডলারের দরেও বড় ব্যবধান

প্রতীকী ছবি

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২১:৩১ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২১:৩১

রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের মতো আন্তঃব্যাংক ডলার বেচাকেনার দরেও বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তঃব্যাংক সর্বনিম্ন ৯৯ টাকা ৬৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ১০৮ টাকায় ডলার বিক্রি হয়। এর মানে প্রতি ডলারে পার্থক্য ৮ টাকা ৩৫ পয়সা। সাম্প্রতিক সময়ে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকের ডলার বিক্রির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দরে এত পার্থক্য দেখা যায়নি বলে জানান সংশ্নিষ্টরা।

ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ডলার কেনার একটা সর্বোচ্চ সীমা ঠিক করেছে ব্যাংকগুলো। এ ক্ষেত্রে ৯ টাকা ব্যবধান রেখে রপ্তানি বিল নগদায়নে ৯৯ এবং রেমিট্যান্সে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা দর ঠিক করা হয়েছে। আর রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের ডলার কেনার গড় দরের সঙ্গে ১ টাকা যোগ করে আমদানি দায় নিষ্পত্তি করা যাবে। এর ফলে যে ব্যাংকে রপ্তানি বিল নগদায়ন বেশি ওই ব্যাংকের আমদানি দায় নিষ্পত্তির খরচ তত কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন সোমবার আন্তঃব্যাংক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর ছিল অভিন্ন ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা। গত বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন ১০৪ টাকা থাকলেও সর্বোচ্চ দর ছিল ১০৬ টাকা ৭৫ পয়সা। আর রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণের পর প্রথম দিন ১২ সেপ্টেম্বর আন্তঃব্যাংক সর্বনিম্ন ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ১০৬ টাকা ১৫ পয়সায় বিক্রি হয়। এর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করত আন্তঃব্যাংক ডলার দর হিসেবে, সেটিই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হতো।

বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে ৯৬ টাকা দরে ডলার বিক্রি করছে। চলতি বছরের শুরুতেও প্রতি ডলার বিক্রি করে ৮৫ টাকা ৮০ পয়সায়। এর মানে এ কয়েক মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই প্রতি ডলারে দর বাড়িয়েছে ১০ টাকা ২০ পয়সা বা ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে আরও অনেক বেড়ে ১১২ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। খোলাবাজারে নগদ ডলার ওঠে ১১৯ টাকায়।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল ফেরাতে আমদানি ব্যয় কমানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি রিজার্ভ থেকে প্রচুর ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি অর্থবছরে বিক্রি করা হয়েছে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি। গত অর্থবছর বিক্রি করা হয় ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ ডলার। এভাবে ডলার বিক্রির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। গত বছরের আগস্টে যেখানে রিজার্ভ ওঠে সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন

×