মার্সেল ফ্রিজ কিনে লাখ টাকা পেলেন কৃষক ও দোকানি

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ১৩ জুলাই ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

কুষ্টিয়ার শাহারুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর হাতে পুরষ্কার তুলে দিচ্ছেন মার্সেল ফ্রিজের কর্মকর্তারা।

মার্সেল ফ্রিজ কিনে রেজিস্ট্রেশন করে এক লাখ টাকা করে পেয়েছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর গোয়ালগ্রামের মো. শাহারুল ইসলাম এবং নারায়ণগঞ্জ সদরের মিজমিঝি দক্ষিণ পাড়ার বাবুল হোসেন।

ঈদুল আজহা বা কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ফ্রিজের ক্রেতাদের জন্য 'ঈদের খুশি জমবে বেশি- প্রতিদিনই লাখপতি' শীর্ষক ক্যাম্পেইন পরিচালিত করছে মার্সেল। এর আওতায় ৩ জুলাই থেকে কোরবানি ঈদ পর্যন্ত ক্রেতারা দেশের যে কোনো শোরুম থেকে মার্সেল ফ্রিজ কিনে রেজিস্ট্রেশন করলে প্রতিদিনই এক লাখ টাকা করে পেতে পারেন। এছাড়াও থাকছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার কিম্বা হাজার হাজার পণ্য ফ্রি পাওয়ার সুযোগ।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় কুষ্টিয়া দৌলতপুরের প্রাকপুর বাজারে মার্সেলের এক্সক্লুসিভ ডিলার তাজ ইলেকট্রনিক্সের সাব-ডিলার জে-আর ইলেকট্রনিক্স থেকে গত রোববার ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের একটি ১৮ সিএফটি ফ্রিজ কেনেন মো. শাহারুল ইসলাম। ৩ মাসের কিস্তি সুবিধায় ফ্রিজটি কেনেন তিনি। এরপর তার মোবাইল ফোন থেকে ম্যাসেজের মাধ্যমে ফ্রিজটি রেজিস্ট্রেশন করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই মার্সেলের কাছ থেকে এক লাখ টাকা পাওয়ার ফিরতি ম্যাসেজে পান তিনি। একই দিনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্বিরগঞ্জে শারমিন ইলেকট্রনিক্স থেকে ফ্রিজ কিনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এক লাখ টাকা পেয়েছেন বাবুল হোসেন।

শাহারুল ইসলাম বলেন, 'কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। ফ্রিজ কেনার কথা অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম। কিন্তু হাতে টাকা ছিলো না। তাই ৩ মাসের কিস্তিতে ফ্রিজটি কিনি। রেজিস্ট্রেশনের পর মার্সেলের কাছ থেকে যখন এক লাখ টাকার ম্যাসেজ পাই, তখন বিশ্বাস করিনি। পরবর্তীতে শোরুমে এসে চেক বুঝে নিতে বললে, পুরো হতভম্ব হয়ে যাই। মনে হচ্ছিল- আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি। আমরা পরিবারের সবাই খুব খুশি।'

শাহারুলের মতো একই রকম অনুভূতি’র কথা জানালেন মার্সেল ফ্রিজের আরেক ক্রেতা নারায়নগঞ্জের বাবুল হোসেন। তিনি বলেন, 'ফ্রিজ কিনে এক লাখ টাকা, অবিশ্বাস্য! কোনদিনও এমনটি ভাবিনি। মার্সেল যে ক্রেতাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করে তার প্রমাণ আমি নিজেই। মনে হচ্ছে, মার্সেল ফ্রিজ কিনে আমি খুবই ভাগ্যবান।'

অনলাইনে দ্রুত সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালিত করছে মার্সেল। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্খিত সেবা মিলবে। সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে ক্রেতাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে মার্সেল। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি