ইরাকে ওয়ালটন পণ্যের রপ্তানি শুরু

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০১৯      

 অনলাইন ডেস্ক

ওয়ালটন কারখানায় ইরাকে কম্প্রেসর রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরাকি দূতাবাসের চার্জেস দ্য অ্যাফেয়ারস মোহানাদ আল দারজি

রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যাপক সাফল্য দেখাচ্ছে ওয়ালটন। প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানিতে একের পর এক জয় করে চলেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর মন জয় করে নিচ্ছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার উচ্চমানের কম্প্রেসর রপ্তানির মাধ্যমে ইরাকে ব্যবসা শুরু করলো ওয়ালটন। পর্যায়ক্রমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে রেফ্রিজারেটরসহ অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানি করবে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন।

মঙ্গলবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকে কম্প্রেসর রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরাকি দূতাবাসের চার্জেস দ্য অ্যাফেয়ারস মোহানাদ আল দারজি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম এবং পরিচালক এস এম রেজাউল আলম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার ই এম ইয়াং, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিট (আইবিইউ) প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মুর্শেদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হুমায়ুন কবীর, উদয় হাকিম ও ইউসুফ আলী, ওয়ালটন কম্প্রেসরের সিওও প্রকৌশলী মীর মুজাহিদীন ইসলাম, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম ও শাহজাদা সেলিম, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস, সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর আব্দুর রউফ ও মোহসিন আলী মোল্লাসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাহানাদ আল দারজি বলেন, 'ওয়ালটন কারখানা দেখে আমি খুবই আনন্দিত। ওয়ালটনকে নিয়ে প্রত্যেক বাংলাদেশির গর্ব করা উচিত। ওয়ালটন কম্প্রেসর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ইরাকে পণ্য রপ্তানি শুরু হলো। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং ইরাকের মধ্যকার পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্কে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।'

উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ৩৫ টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন পণ্য। ইরাকে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে উল্লেখ করে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম বলেন, অত্যাধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, উচ্চমানের পণ্য, সাশ্রয়ী মূল্য, উদ্ভাবনী ও ফলপ্রসূ বিপণন কৌশল এবং দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিয়ে দেশের বাজারে শীর্ষে ওয়ালটন। এখন ওয়ালটনের টার্গেট- ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত বিশ্বে বাজার সম্প্রসারণ।

ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম বলেন, বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণের ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, রাশিয়া এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ওয়ালটন পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের কাছ থেকে রপ্তানি আদেশ পেতে যাচ্ছে ওয়ালটন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি