দুইদিন বৃদ্ধির পর সূচকে বড় পতন

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

পর পর দুইদিন বড় বৃদ্ধির পর আজ দিনের লেনদেনের শুরু থেকে দর হারিয়ে দুই শেয়ারবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই ও সিএসই) কেনাবেচা হচ্ছে অধিকাংশ শেয়ার। তাতে বাজার মূল্য সূচকেও বড় পতন হয়েছে। তবে সিএসইর তুলনায় ডিএসইতে দরপতনের হার তুলনামূলক বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা দুইদিনের দর বৃদ্ধির সুবিধা নিতে অনেকে শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এটা শেয়ারবাজারের খুবই সাধারণ একটি ধারা। বিনিয়োগকারীরা মনে করেন, সূচকের বৃদ্ধির পর তা খুব বেশি স্থায়ী হয় না। তাই তারা ঝুঁকি নিতে চান না।

লেনদেনের দ্বিতীয়ার্ধে এসে বড় পতনে লেনদেন চললেও সকাল সাড়ে ১০টায় যথারীতি লেনদেন শুরু হয়েছিল সূচক বৃদ্ধি দিয়ে। তবে তা মাত্র চার মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ পয়েন্ট সূচক বেড়ে এর পরই শুরু হয় পতন।

সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হওয়ায় বেলা ১টায় ডিএসইএক্সে সূচক ১২২ পয়েন্ট বা প্রায় ৩ শতাংশ হারিয়ে ৪১০৮ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে। প্রথম আড়াই ঘণ্টায় কেনাবেচা হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৫১ কোটি টাকা।

চার ঘণ্টার লেনদেনের প্রথম আড়াই ঘণ্টা শেষে দেখা যায়, প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে এ সময় পর্যন্ত লেনদেনে এসেছে ৩৫০ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে ৩০৬টিই দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছে। বিপরীতে দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে ২৩টির। ২১ শেয়ার ও ফান্ডের বাজারদর ছিল অপরিবর্তিত।

গতকাল বুধবার ডিএসইতে ৩৫৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৭০টিরই বাজারদর বৃদ্ধি পায়, যা লেনদেন হওয়া শেয়ার ও ফান্ডের ৭৬ শতাংশ।

অধিকাংশ শেয়ারের বাজারদর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল ডিএসইএক্স সূচক ৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪২৩১ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। সূচক বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এদিকে দ্বিতীয় শেয়ারবাজার সিএসইতে বেলা ১টা পর্যন্ত ২০০ কোম্পানির শেয়ার ও ফান্ড কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এর মধ্যে দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৩১টির, হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৫৪টির।

এ বাজারেরও সিংহভাগ শেয়ারের দর কমায় সিএসসিএক্স সূচক ১৩১ পয়েন্ট হারিয়ে ৭৬৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা যায়। সূচকটির পতনের হার ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। লেনদেনের প্রথম আড়াই ঘণ্টায় এ বাজারে মাত্র ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হওয়ার তথ্য মিলেছে।