ক্রেতা সংকট নিয়েই শেষ হলো দিনের লেনদেন

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২০     আপডেট: ২২ মার্চ ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দর বেঁধে দেওয়া নিয়ে জটিলতা এবং ক্রেতা সংকট নিয়েই রোববার দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হয়েছে।

পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টা লেনদেন শুরু হয়ে শেষ হয়েছে দেড়টায়। তবে দুপুর দেড়টায় লেনদেন শেষ হওয়ার পরও ক্লোজিং প্রাইসের হিসাবে কতটি শেয়ারের দর বেড়েছে বা কমেছে, দুপুর সোয়া ২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

অবশ্য গত বৃহস্পতিবার এ নিয়ে যে ‘হযবরল’ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল, আজ অবশ্য ততোটা হয়নি। তবে সর্বশেষ লেনদেন মূল্যের হিসাবে দেখা গেছে, ১১৩টি দর বেড়েছে, কমেছে ২০৫টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদর।

বৃহস্পতিবার হিসাবে ভুল করলেও আজ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বেঁধে দেওয়া নিয়মে ফ্লোর প্রাইস হিসাব করে শেয়ার কেনাবেচার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেন ডিএসইর কর্মকর্তারা। ভুল সংশোধন করায় বৃহস্পতিবারের তুলনায় বেশিরভাগ শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস কমে গেছে। এ কারণে আজ অনেক শেয়ারের দাম কমেছে।

ডিএসইর লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কয়েকটি বাদে বৃহস্পতিবারের মত আজও সব শেয়ারের বিপুল সংখ্যক বিক্রির আদেশ থাকলেও ক্রেতা সংকট ছিল চরমে। যারাই ফ্লোর প্রাইসে শেয়ার কিনতে চেয়েছেন, তারা ক্রয় আদেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেনা হয়ে গেছে। এ কারণে বিপুল বিক্রি আদেশের বিপরীতে লেনদেনের পুরো সময়ে ক্রেতা শূন্য অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।

দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত লেনদেনে আসা ৩৩৪ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০টিতে ক্রেতা দেখা গেছে। শুধু মুন্নু সিরামিক কোম্পানির ক্ষেত্রে যথেষ্ট ক্রেতা ও বিক্রেতার দেখা গেছে।

এদিকে দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার অবশ্য বৃহস্পতিবারের সংকটাবস্থা কাটিয়ে লেনদেন ব্যবস্থা করায় আজ ফ্লোর প্রাইসের নিচে কোনো শেয়ারের কেনাবেচা হয়নি। এ কারণে এ বাজারে কোনো শেয়ারই দর হারায়নি। দুপুর দেড়টায় লেনদেন শেষে দেখা গেছে, কেনাবেচা হওয়া ২০৫ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৪৪টি দর বেড়ে অর্থাৎ ফ্লোর প্রাইসের থেকে বেশি মূল্যে কেনাবেচা হয়েছে। দর অপরিবর্তিত ছিল বা ফ্লোর প্রাইসে কেনাবেচা হয়েছে বাকি ১৬১টি শেয়ার ও ফান্ড।

এ বাজারে কোনো শেয়ারের দর না কমায় কোনো সূচক কমেনি। বরং কিছু শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৭৭৭ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। কেনাবেচা হয়েছে ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার।