প্রণোদনার সিএমএসএমই ঋণেও লাগবে না ঝুঁকি পরিমাপ

প্রকাশ: ১২ মে ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শিল্প ও সেবা খাতের মতো কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের জন্য সরকার ঘোষিত প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি রেটিংয়ের শর্ত পূরণ না করে শুধু ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালার আলোকে এ তহবিল থেকে ঋণ দেওয়া যাবে।

করোনাভাইরাসের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, যে কোনো ঋণ দেওয়ার আগে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং সিস্টেম (আইসিআরআরএস) নীতিমালা অনুসরণ করতে হয়। এই নীতিমালার আলোকে গ্রাহকের সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর তথ্যের ভিত্তিতে রেটিং নূন্যতম প্রান্তিক হতে হয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ওই নীতিমালা অনুসরণ করে গ্রাহকের রেটিং সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় তা সময় সাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরকম অবস্থায় সিএমএসএমই খাতের কার্যক্রম পুনরায় দ্রুত চালু করার লক্ষ্যে শুধুমাত্র আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধার জন্য রেটিং কার্যক্রম সম্পন্ন না করেও ঋণ দেওয়া যাবে। তবে প্রতিটি ব্যাংকের বিদ্যমান নিজস্ব নীতিমালার আওতায় ঋণ ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে গ্রাহক নির্বাচন করতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিপূর্বের নির্দেশনার আলোকে কোনো খেলাপি ঋণ গ্রহীতা এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ পাবেন না। এ ছাড়াও কোন ঋণ ক্ষতিজনকমানে শ্রেণিকৃত হওয়ার পর তিন বারের বেশি পুনঃতফসিল হলে এ প্যাকেজ থেকে ঋণ নিতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আইসিআরআরএস নীতিমালার আলোকে গ্রাহককে- এক্সিলেন্ট, গুড, মার্জিনাল ও আনএকসেপ্টেবল এই চার ক্যাটাগরিতে ভাগ করতে হয়। প্রথম দুই ধরনের গ্রাহককে ব্যাংক ঋণ দিতে পারে। তৃতীয় ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ঋণ দিতে হয়। আর চতুর্থ ক্ষেত্রে পুরাতন ঋণ শতভাগ নগদ আদায় বা শতভাগ জামানতে আচ্ছাদন না করে ঋণ দেওয়া যায় না।