গ্রামীণফোনের ওপর নতুন ২ বিধিনিষেধ আরোপ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২০     আপডেট: ২২ জুন ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) নীতিমালার আওতায় গ্রাহক সংখ্যায় দেশের শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোনের ওপর আরও দু’টি নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিটিআরসি। রোববার রাতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে প্রথম বিধি আরোপ করে বলা হয়, আগামী পহেলা জুলাই থেকে বিটিআরসির আগাম অনুমোদন ছাড়া গ্রামীণফোন নতুন কোনো সেবা, প্যাকেজ বা অফার দিতে পারবে না। বিদ্যমান সেবা, প্যাকেজ, অফার পরিবর্তন করতে চাইলেও কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। আর বিদ্যমান সেবা, প্যাকেজ বা অফারগুলোর জন্য আগামী ৩১ অগাস্টের মধ্যে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে। আর দ্বিতীয় শর্তে বলা হয়েছে, নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের বেলায় 'লকিং পিরিয়ড' (অপারেটর বদলের পর গ্রাহকের নূন্যতম যুক্ত থাকার সময়সীমা) হবে ৬০ দিন, যেখানে অন্য অপারেটরদের ক্ষেত্রে তা ৯০ দিন। এই নির্দেশনাও পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

বিটিআরসি’র প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যবসায় ‘একক আধিপত্য’ যাতে তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ‘গ্রাহকের স্বার্থে’ এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি ও নীতিমালা অনুযায়ী গত বছর দেশে প্রথম কোন কোম্পানি হিসেবে গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণা করে বিটিআরসি।

এ দিকে নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ সম্পর্কে গ্রামীণফোনের হেড অব রেগুলেটরি হোসেন সাদাত সমকালকে বলেন, বাংলাদেশের মোবাইলখাত যথেষ্ট প্রতিযোগিতামূলক এবং এখানে গ্রামীণফোন সময়োচিত বিনিয়োগ, নিত্যনতুন উদ্ভাবন এবং বাবসায়িক পরিচালন  দক্ষতার মাধ্যমে প্রসার লাভ করেছে। সর্বশেষ আরোপিত বিধিনিষেধসমূহ এসএমপির মূল উদ্দেশ্যের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ, কেননা বাজার বিনষ্ট হয়েছে এমন কোন প্রমাণ এর উপর ভিত্তি করে এটি আরোপ করা হয়নি। আরোপিত এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধিগুলোই মূলত প্রতিযোগিতা বিরোধী, যা গ্রাহক স্বার্থের পরিপন্থী বলে গ্রামীণফোন বিশ্বাস করে এবং তা জাতীয় রাজস্ব, বিনিয়োগের পরিবেশের উপর ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি জানান, গ্রামীণফোন চিঠিটি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।