আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠনের সময়সীমা বাড়ল

প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠনের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সময় বাড়াতে পারবে। এতদিন সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ সময় বাড়ানো যেত।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা জানান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত ঋণ পুনর্গঠনের মাধ্যমে মেয়াদ বাড়াতে পারে। এক্ষেত্রে এতদিন অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ সময় বাড়ানো যেত।  অবশিষ্ট মেয়াদ বলতে বোঝায়- কোনো গ্রাহক ৬ বছরের জন্য ঋণ নিয়েছেন। নিয়মিতভাবে একবছর, দুই বছর বা যে কোনো মেয়াদে কিস্তি পরিশোধের পর তিনি হয়তো মেয়াদ বাড়াতে চান। যাতে করে তার কিস্তির পরিমাণ কমে। এক্ষেত্রে নতুন নিয়মে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই অবশিষ্ট মেয়াদ তথা চার বছরের ৫০ শতাংশ বা দুই বছর বাড়াতে পারবে। এতদিন সর্বোচ্চ একবছর বাড়ানোর সুযোগ ছিল।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিদ্যমান কোভিড-১৯ বাস্তবতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন গ্রাহকের আর্থিক সঙ্গতি বিশ্লেষণ করে স্বীয় বিবেচনায় পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে সে লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর জারি করা এ সংক্রান্ত সার্কুলারের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ঋণ বা লিজ সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধির সময়সীমা অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে। এ ছাড়া অন্যান্য সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।